সুনীড়া দাসের অনুকবিতা গুচ্ছ পড়ুন



অনু কবিতা ১

যত ইচ্ছে বদনাম করো
বার বার বলো আমায় চরিত্রহীন।
সত্য অপরিবর্তনশীল
গ্যালিলিও কোপারনিকাসকে হত্যা করেছিল যারা তারা কি পেরেছে সূর্যকে পৃথিবীর চারিদিকে আবর্তন করাতে?


অনুকবিতা ২

নি:সঙ্গতা সাথী
অবহেলা নিত্যসঙ্গী
নিলজ্জ উপাধিতে ভূষিত
জখমিত শরীর, ক্ষত বিক্ষত হৃদয়
নারীত্ব লালসায় হরণ বস্ত্র বিচার করে চরিত্র
অশ্রু না, বিপ্লব ভাষা হোক তাদের।


অনুকবিতা ৩

কিছু সময় অধিনস্ত পরাজয়ের কিছু ভাবনার সৃষ্টিই ভয়ের শত সাধনার পশ্চাতেও আনুবিক্ষনিক জীবানুস্বরুপ ত্রুটিবিচ্যুতিতে নিশেষ সর্ব উপাসনা অলঙ্ঘনীয় তোমার সকল বাসনা ভঙ্গুরতা প্রদান করে তাদের পরিস্থিতি ;
তোমার বাসনা সকল সফলতা নদীর তীরে স্থিতি।

অনুকবিতা ৪

যখন বেঁচে থাকার আশা ফুরিয়ে যাই যখন মৃত্যুকে কাছে পেতে মন চায়,
বাঁধাহারা অশ্রুকনা দিশেহারা হয়ে ধুঁইয়ে মলিনতা জাগিয়ে মনে কুলীনতা স্বপ্ন শেষের অনুভূতি জাগিয়ে নতুন শুরুর আশা সাজিয়ে নতুন রঙে নিজেকে রাঙিয়ে সঙ্গে নিয়ে শুভ বার্তা শুরু হোক নতুন জীবন যাত্রা

অনুকবিতা ৫

কোথায় যেন হারিয়ে গেছে
নতুন পূজার জামার গন্ধ
হারিয়ে গেছে মহালয়ার আগের রাতে ঘড়িতে আল্যাম দেওয়ার চল।
মহালয়া না দেখেই মহালয়ার সকাল পার হয়
প্ল্যান  করিনা আর কোনদিন পরবো কোন জামা;
প্রার্থনা করতাম এই কয়দিন বেশী রাগ না করে সুর্যমামা আনন্দমেলা শুকতারা পূজাসংখ্যা এলে হাতে,
মনে হতো মা এলেন পরিবার সাথে ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীর দিন রাত যেতো তাড়াতাড়ি কেটে দশমীতে সবাই রইতো সিঁদুর খেলাতে মেতে
দিনগুলি আমার রয়ে গেছে স্মৃতির খাতার পাতায় গেঁথে
 মায়ের বোধন থেকে বির্সজন সকল বাহিত পুজো মন্ডপের ভীড়ের মাঝে মাকে দেখে আর পিকচার তুলে হারিয়ে গেছে বাদাম খাওয়া তনুর সাথে গিয়ে পাশের ক্লাবের অনুষ্ঠান দেখা;
হারিয়ে গেছে সরল শৈশব
উপনীত  হয়েছি জটিল সমীকরনের যৌবনে।

লিখেছেন সুনীড়া দাস

No comments

Powered by Blogger.