|| আই হেট ইউ || ছোটগল্প || ~ স্বদেশ কুমার গায়েন



-"................. প্লীজ!  তুমি একবার,বলো।"
-" না পারবো না। আমি তোমাকে ভালোবাসি না। অকারনে 'আই লাভ ইউ' বলতে যাব কেন?"
-" আমি 'আই লাভ ইউ' বলতে,বলেনি।"
-" তবে কি! "
-" ওই, তুমি যেটা রোজ বলো-'আই হেট ইউ'।"... .........................।


দো'তলার ঘরটির পশ্চিম দিকে বড় একটা  জানালা। সেই জানালা দিয়ে আকাশের অনেক টা দেখা যায়। এদিক টা তে এখনো বড় বড় বাড়ি উঠেনি।একবার একটা বিশতলা ফ্লাট তালগাছের মতো দাঁড়িয়ে গেলে, হয়ে গেল। ব্যাস! দৃশ্যপট খতম। তারপর শুধু সারাদিন ওই ফ্লাট বাসীর জামা-প্যান্ট, শাড়ী-ব্লাউজ-সায়া আর বাচ্চার ন্যাপি দেখে কাটাতে হবে।
রাই এর আকাশ দেখতে বড় ভালো লাগে। মাঝে মাঝে যখন একলা লাগে, তখন জানালার পাশে বসে আকাশের দিকে এক টানা তাকিয়ে থাকে। হোলির দিনের মতো আকাশটি ও ক্ষনে ক্ষনে রঙ বদলায়। কখনো নীল, কখনো সাদা, কখনো হলুদ, আবার কখনোও বা সিঁদুরে লাল হয়ে আসে। মাঝে মাঝে আবার মন খারাপ করলে, মুখ কালো করে বসে থাকে। আর সেই হলুদ আকাশে যখন সাদা বক পাখিরা ডানা মেলে উড়ে যায় তখন এক মুহুর্তে মেঘের দেশে হারিয়ে যায় সে।


টেম্পল রান গেম টা বন্ধ করে ফোন টা কে টেবিলের উপর রেখে এই মুহুর্তে জানালার পাশে এসে দাঁড়ালো রাই। এই ছোট্ট দোতলার ঘরটা একান্ত নিজের। কম মেহনত করতে হয়নি ঘরটি পেতে। দিন-রাত মায়ের সাথে নিয়ম করে ঝগড়া। একবার খাওয়ার সময়, আরেকবার শোয়ার সময়। বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে সে। বড্ড আদরের। তার মা বলে,-" উপরে একা একা থাকবি কেন? নীচে আমাদের পাশের ঘরে থাক।"
-"না, আমি উপরের ঘরে থাকবো। এটাই ফাইনাল।" পরিষ্কার জবাব ছিল রাই এর।
তারপর থেকে এই দোতলার ঘরটিতে থাকে সে। নিজের হাতে সুন্দর করে সাজানো ঘরটি। দেওয়ালে আঁকা ছবির মতো। জানালার গ্রিলে হাত দিয়ে বাইরের দিকে তাকালো রাই। বিকেল নামতে চলেছে। শেষ বিকেলের রোদ-ছায়া স্পষ্ট আকাশের চোখে -মুখে। জানালার বাইরে দু'টো নারকেল গাছ জড়াজড়ি করে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।সে'দিকে তাকিয়ে একটা স্বপ্নের জগতে হারিয়ে গেল সে। সত্যি! ছেলেটা পাগল একদম। সারাদিন শুধু ফোন করে, মেসেজ করে ভালোবাসি, ভালোবাসি! এত ভালোবাসা থাকে কোথায়? সত্যিই কি ও আমাকে ভালোবাসে? ধুর! এ'সব ভালোবাসা, প্রেম আর তার ভালো লাগে না। নিজের মনে কথা গুলো বলে চললো সে।

প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত কত অচেনা মানুষ সোশ্যাল নেটওর্য়াকের মধ্যমে এক অন্যের সাথে পরিচিত হচ্ছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। আবার কিছুদিন পর সেটা শেষ হয়ে ও যাচ্ছে। ঠিক তেমনি ভাবে ফেসবুকের মাধ্যমে সমীরনের সাথে রাই এর পরিচয়। সারাদিন পড়াশুনার পর রাতের দিকে একটু ফেসবুকে অন হয় সে। আগে ভালো লাগতো না তেমন। সব কিছু অতিরিক্ত হলে এক সময় অসহ্য লাগে।  সারাটা সময় বন্ধুদের সাথে ভাটাতে কি ভালো লাগে! আর তাছাড়া, মেসেজ চ্যাটের থেকে ফোনে কথা বলায় অনেক সাবলীল সে। আঙুল ব্যাথা করে সারাদিন টাইপ করতে তার মোটেই ইচ্ছে করে না।
সেদিন রাতে ফেসবুকে অন হয়ে তার ফেসবুক ওয়ালে একটা ছেলর আই.ডি দেখলো। ছেলেটির নাম সমীরন। এমনিতেই অচেনা ছেলেদের কখনই সে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় না এবং তাদের রিকোয়েস্ট ও গ্রহন করে না। হঠাৎ কি মনে হল, ছেলেটির  টাইমলাইম খুলে দেখলো সে। লেখালেখি তে পরিপুর্ন টাইমলাইন। অনেক লাইক-কমেন্টস। রাই, গল্প পড়তে ভালোবাসে। অনেক গল্পের বই ও আছে তার আলমারীতে সাজানো। চাকরীর পড়াশুনা বাদে একটু সময় পেলেই গল্পের বই নিয়ে বসে পড়ে। ছেলেটির টাইমলাইম থেকে কয়েকটি লেখা পড়লো সে। মন্দ নয় তো! ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো যেতেই পারে। ক'য়েক মিনিট ভেবে শেষ পর্যন্ত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিল।এভাবেই বন্ধুত্ব শুরু তাদের।
নারকেল গাছের দিক থেকে চোখ সরিয়ে উলটো দিকে ফিরে নিজের ঘরের দিকে ফেরে রাই। মাথাটা হেলিয়ে দেয় জানালার গ্রিলে। চোখ বন্ধ করলো। মাত্র এক মাসের পরিচয়! তবুও এত কথা বলতে ভালো লাগে? কিসের এত টান? বন্ধুত্বের টান টাই বোধহয় এরকম। শুধু কি বন্ধুত্বের? রাই, জানে না। এটুকু জানে, সমীরনের সাথে কথা বলতে তার ভালো লাগে।


সন্ধ্যায় বাজারে যায় রাই। এক ফাইল নোট জেরক্স করে। তারপর বাড়ি ফিরে চোখে-মুখে জল দিয়ে নোট গুলো সাজাতে বসে। নোট সাজানো হয় না। ফোনটা হাতে নিয়ে কল লিস্ট থেকে সমীরনের নাম্বার টা বের ডায়েল করে। তারপর খাটের উপর গড়িয়ে পড়ে।কয়েকবার রিং হওয়ার পর ফোন তোলে সমীরন।
-"হ্যালো!....বলো।  " সমীরনের গলার আওয়াজ পায় রাই।
-"কি করছো?"
-" কিছুই না। তুমি কি করছো? "
-"পড়াশুনা করতে বসবো।"
-" ভালো। তোমার তো সারাদিন পাত্তাই পাওয়া গেল না আজ। কত মেসেজ করলাম ফেসবুক-হোয়াটস অ্যাপে। কোনো রিপ্লাই করলে না।"
-" অত মেসেজ করো কেন, শুনি!.. তোমার মেসেজের ঠ্যালায় আমার ফোন যদি হ্যাঙ্গ করে,ফোন কিনে নেব তোমার থেকে। তখন বুঝবে।.......আর তোমার কাজ নেই বলে কি, কারও কাজ থাকবে না?...কবে থেকে বলছি পড়াশুনা করো, তা নয় সারাদিন শুধু ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপ।"রেডিও জকি দের মতো ননস্টপ কথা গুলো বলে গেল রাই।
-" ওই! আমি অন থাকি না। তুমি শুধু শুধু রাগ দেখাও আমার উপর।"
-" বেশ করি। আরও দেখাবো। "
-" হু। রাগ দেখাবে। ভালোবাসার মানুষের বকাবকি খেতেও ভালো লাগে।"
-" আবার শুরু করলে! আবার সেই ভালোবাসার কথা?আমি তোমাকে ভালোবাসি না। শুধু বন্ধু আমরা।"
-" আমি ওসব জানি না। আই লাভ ইউ-শুধু এটাই জানি।"
-"আই হেট ইউ।"
-"কি বললে!"
-"আই হেট ইউ....হেট ইউ....হেট ইউ।"
-"ওহ!... আচ্ছা।" ফ্যাকাসে গলায় বলল সমীরন।
-" সন্ধ্যাবেলা কিছু খেয়েছো,তুমি? " জিজ্ঞেস করে রাই।
-" না।"
-" আগে, কিছু খেয়ে নাও। আর পড়তে বসো। না পড়তে বসলে, এবার সত্যি সত্যি বকবো।"
-"দাও, বকে দাও। "
সমীরনের কথায় রাই, খিল খিল করে হাসে। বসন্তের বিকেলের পাতাঝরে পড়ার শব্দের মতো হাসি। তারপর বলে,-" এখন রাখছি। একটু পড়াশুনা করে নেই। রাতে মিসড কল দেবো, তখন হোয়াটসঅ্যাপে অন হবে।"
কান থেকে ফোন টা নামিয়ে আনে রাই। লাল বোতাম চাপে। তারপর ফোনটা পাশে রেখে কিছুক্ষন শুয়ে থাকে। সমীরন,একদম বাচ্চাদের মতো কথা বলে। আমি এত বকা-বকি করি, তবুও রাগে না। ওর কি রাগ নেই?
 না, ভালোবাসলে মানুষ বাচ্চাদের মতো আচরন করতে শুরু করে!........ ভালোবাসার মানুষের উপর রাগ করতে ভুলে যায়! আরও কিছুক্ষন আগডুম-বাগডুম ভাবে সে। তারপর উঠে বই নিয়ে পড়তে বসে।


রাতে দেরী করে খাওয়া অভ্যেস রাই এর। রাত এক'টা না বাজলে তার খিদে পায় না। এ নিয়েও কম ঝামেলা হয় না মায়ের সাথে। রাতে কখনো বাবা -মা এর সাথে বসে ভাত খায় না সে।ঘড়িতে এখন সাড়ে বারোটা বাজে। তাই রাই এর এখনো খাওয়ার সময় হয়নি। বই বন্ধ করে ফোন টা হাতে নেয় সে। তারপর সমীরন কে একটা মিসড কল করে হোয়াটসঅ্যাপে অন হয়।
-" কি করছো?" অন হওয়ার পর মেসেজ করে রাই।
-" এই খেয়ে উঠলাম। তুমি? "  কিছু সময় পর ওপার থেকে উত্তর আসে সমীরনের।
-"  পড়ছিলাম। এই জানো, আমি ভাবছি বি.এড টা করেই নেই। " একটা হাসির স্মাইলি পাঠায় রাই।
-"আমি তো অনেক দিন থেকে বলে যাচ্ছি। তুমি তো কথাই শোনো না। "
-" হুম। তুমি বলাতেই, যেন বি.এড করতে ইচ্ছে করলো। নইলে কোনোদিনই ইচ্ছে করেনি। এই নিয়ে বাড়ির সাথে সব সময় ঝগড়া হয়।আজ পর্যন্ত কেউ রাজী করাতে পারেনি।"
সমীরন হাসির স্টিকার পাঠায়।-"হা হা, তবে দেখ, অবশেষে আমিই রাজী করালাম।"
-" হুম। বেশ করেছো। তুমি করবে না তো, আর কে করবে?... জানো, আমার মুখে বি.এড এর কথা শুনে মা তো অবাক। বলল, এটা কার কাজ রে, তোকে রাজী করাতে পারলো!"
-" কি বললে, তুমি?"
-" বললাম, কেউ বলেনি। আমার হঠাৎ মনে হল তাই করলাম। হি হি।"
-"ভালো। তাড়াতাড়ি বি.এড করে নাও। তারপর টিচার হয়ে ছেলে-মেয়ে পড়াবে। "
-" তুমি কলেজ খুঁজে দাও। কোথায় ভর্তি হবো আমি।"
-" আমি! আমি কি করে জানবো, কোন কলেজ ভালো? আমি পড়াশুনা করেনি, তোমার মত।"
-" এই, আমাকে ভালোবাসো? কলেজ খুঁজে দিতে পারছো না?  " রাই এর মেসেজে অভিমানের সুর।
-"আচ্ছা। খুঁজে দেব।"
-"মনে থাকে যেন।"

কিছুসময় মেসেজ আসে না সমীরনের। রাই আবার মেসেজ করে।-" কি হল! কার সাথে ব্যাস্ত?"
এবার সমীরনের মেসেজ ভেসে ওঠে ফোনের স্ক্রিনে।-" না গো। কার সাথে আর ব্যাস্ত থাকবো?"
-" কেন! তোমার তো অনেক ফ্যান-ফলোয়ারস আছে। টাইম লাইনের লেখায় কত লাইক- কমেন্টস।"
-" ওই আর কি। সবার মেসেজের রিপ্লাই দিই।"
-" তবে তাই দাও। আমার সাথে কথা বলছো কেন? আমি তো কেউ না, তোমার।"
-" তুমি আমার অনেক কিছু।"
-"যাও তোমার অন্য গার্লফ্রেন্ড দের সাথে কথা বলো।"
-"না বলবো না। তাকে, বলেছি আমার রাই নামে একটা মেয়ে আছে।" সাথে একটা দুষ্টমির স্টিকার পাঠায় সমীরন।
-" ওহ! বুঝলাম। যাও....যাও তার সাথে কথা বলো। আমি অফ হচ্ছি।"

ইন্টারনেট সংযোগ কেটে দিয়ে ফোন রেখে দেয় রাই। মন খারাপ লাগে যেন। কেন এরকম হল? সমীরন,অন্যমেয়ের সাথে চ্যাটে কথা বললে তার রাগ হয় কেন? রাগ না, অভিমান? তার মন চায় সমীরন যেন শুধু তার সাথেই কথা বলুক।আর কারও সাথে না। এটা শুধু বন্ধুত্ব! না ভালবাসলে এরকম হয়? বন্ধুত্বের থেকে ভালোবাসায় অধিকার বোধ টা মনে হয় অনেক বেশি জন্মায়। এটাও কি সেই ভালোবাসার অধিকার বোধ? একটা নয়, হাজার টা প্রশ্ন এসে জোড়ো হয় রাই এর মাথার ভেতর। শুধু উত্তর খুঁজে পায় না। কিছুসময় পর ভাবনা-চিন্তা সরিয়ে রেখে রাতের খাবার টা খেয়ে নেয়। তারপর অালো নিভিয়ে শুয়ে পড়ে।


গড়িয়াতে একটা বিউটিশিয়ানের কোর্স করে রাই। সপ্তাহে  দু'দিন ক্লাস। পরদিন বিকালে ক্লাস থেকে ফেরার পথে সমীরন কে ফোন করে সে। একবার রিং হওয়ার সাথে সাথেই ফোন রিসিভ করে সমীরন।
-" কি ব্যাপার তোমার? এত সময় কেউ রাগ করে থাকে? সারাদিন ফোন বন্ধ করে রেখেছো। আমি কত মেসেজ, রিং করে যাচ্ছি।"একরাশ অনুযোগ ঝরে পড়ে রাই কানে।
শান্ত গলায় সে বলে,-" আরে, পড়াশুনা নিয়ে একটু ব্যাস্ত আছি গো। রবিবার একটা চাকরীর আছে, তাই।"
সমীরন, সে কথায় কান দেয় না। নিজের মতো বলে চলে,-" আমি সত্যিই তোমাকে ভালোবাসি, রাই। আর তুমি এরকম রাগ করে থাকলে ভালো লাগে না।"
-" রাগ করি নি গো।"
-" সত্যিই!"
-"হ্যাঁ রে বাবা, সত্যি।"
-" তুমি, আমাকে বকো, রাগ করে ফোন কেটে দাও, আবার আমাকে নিজে থেকেই কল করো। ... তোমাকে না ভালোবেসে থাকা যায় না।"
-"দাঁড়াও, রাস্তাটা পার হয়ে নিই।"

ফোনের ওপার কিছুক্ষন নিস্তব্দ। কান থেকে ফোন নামিয়ে ব্যাস্ত গাড়ি রাস্তা ক্রশ করে রাই। তারপর আবার ফোন কানে ধরে বলে,-" এবার বলো।"
আবার কথা শুরু করে সমীরন। -" আই লাভ ইউ রাই। খুব ভালোবাসবো তোমায়।...প্লীজ! তুমি একবার বলো।"
-" না পারবো না। আমি তোমাকে ভালোবাসি না। অকারনে 'আই লাভ ইউ' বলতে যাব কেন?" রাই এর উত্তর।
-" আমি 'আই লাভ ইউ' বলতে,বলেনি।"
-" তবে কি! "
-" ওই তুমি যেটা রোজ বলো-'আই হেট ইউ'।"
হাসি পায় রাই এর।বলে, -"ধেত! কেন!... আমি কিছু বলতে পারবো না।"
মুচকি হেসে সমীরন বলে,-" জানো, আমাকে অনেক মেয়েই 'আই লাভ ইউ' বলেছে। কিন্তু আসলে তারা সত্যিই কেউ ভালোবাসেনি।.... তোমার এই ' আই হেট ইউ' বলার মধ্যে আমি সেই ভালোবাসার গন্ধ পাই। তাই তোমার কাছে বার বার ' আই হেট ইউ' শব্দ টা শুনতে ভালো লাগে।"
হো হো হো হেসে ওঠে রাই। তারপর হাসি থামিয়ে বলে,-" সত্যিই, তুমি একটা আস্ত পাগল।..আচ্ছা, বাড়ির কাছাকাছি চলে এসেছি, এবার ফোন টা রাখি। রাতে কথা হবে, পাগল ছেলে।"
ফোন কেটে দিয়ে ব্যাগের ভেতর ঢোকায়, রাই। গেট দিয়ে বাড়ির ভেতর ঢুকতে ঢুকতে মনে মনে আরও একবার হেসে ওঠে। সমীরন বাচ্চাদের মতো কথা বললে কি হবে-তার 'আই হেট ইউ' বলার মধ্যে যে 'আই লাভ ইউ ' লুকিয়ে ছিল, সেটা বেশ বুঝতে পেরে গেছে।


স্বদেশ কুমার গায়েন (মার্চ,২০১৭)

No comments

Powered by Blogger.