|| রাত বারোটার পর || ভূতুড়ে গল্প ||~ স্বদেশ কুমার গায়েন।



অনেক দিন পর নিজের বাড়িতে ফিরছি.....।

একটা ঝাঁকুনিতে আমার ঘুম ভেঙে গেল।চোখ মেলে বাইরে তাকিয়ে দেখি,শেষ স্টেশন এসে গেছে।পিছনে ঘাড় ঘুরিয়ে সারা কামরা টার ভেতরে চোখ বোলালাম।প্রায় ফাঁকা কামরা।শুধু একটা লোক কোনার সিটে চাদর মুড়ি দিয়ে ঝিমোচ্ছে।তাকে ডেকে দেওয়ার জন্য আমার মন কোনো আগ্রহ দেখালো না।উঠে পড়লাম আমি।উপরের বাঙ্কার থেকে ব্যাগ নামিয়ে নেমে পড়লাম প্লাটফর্মে।ট্রেন থেকে যখন প্লাটফর্মে নামলাম,তখন সারা প্লাটফর্ম টা ফাঁকা।জনমানুষ শূন্য।শুধু টিউব লাইটের সাদা আলো জ্বলছে। আমার দেখাদেখি কিছুসময় পর লোকটি নামল। চারিদিকে ঘুরে দেখল।চাদরের আড়ালে তার মুখ শরীর কিছু বোঝা যায় না।তবুও আমার মনে হয়  লোকটি রোগা পাতলা। লিকলিকে। আমার দিকেও কিছুক্ষন চাইলো। তারপর হনহনিয়ে চোখের সামনে থেকে উধাও হয়ে গেল।এত তাড়াতাড়ি গেল কোথায় লোক টা?

লোকটিকে নিয়ে বিশেষ কিছু আর ভাবলাম না।
ছোটো দুটো প্লাটফর্মের সংযোগে একটা স্টেশন।আপ-ডাউন ট্রেন চলাচল করে সারাদিন।দাঁড়িয়ে না থেকে এগিয়ে গেলাম স্টেশন মাস্টারের ঘরের দিকে।তাড়াতাড়ি পৌঁছোতে হবে আমার গন্তব্যে।আসলে এই ট্রেন টা এত লেট করে না।ভাগ্য খারাপ,তাই আজই লেট করলো।মাঝের কোন স্টেশনে ওভার হেডের তার ছিঁড়ে এই বিপত্তি।ঘন্টা দুয়েক লেট।কি আর করা যাবে!স্টেশন মাস্টারের দরজায় উঁকি মেরে দেখি,তিনি গভীর নিদ্রায় অচেতন।আরও দু'জন হলুদ জামা পরা লোক ঘরের এক কোনার বেঞ্চ টিতে গুটিশুটি মেরে বসে আছে।তাদের ঘুম ভাঙিয়ে আর বিরক্ত করলাম না।টিকিট কাউন্টারের পাশ দিয়ে বেরিয়ে স্টেশনের সামনের চাতালে এসে দাঁড়ালাম।হাতের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সাড়ে বারোটা বাজতে আর দশ মিনিট বাকি।শীতের শুরুতে এরকম রাতে গ্রাম্য একটা স্টেশনে লোকজন থাকবে না,সেটাই স্বভাবিক।কিন্তু এত রাতে রিকসা পাবো কি?এরকম ভাবনা টাই মনে আনা একটা বোকামো।কে থাকবে এত রাতে আমার জন্যে বসে? না থাকলে কি আর করা যাবে,'পা গাড়ি' তো আছেই।হেঁটেই চলে যাব।

স্টেশন থেকে বেরিয়ে,ছোটো একটা বাঁক ঘুরে ডান দিকে যেতেই,রিকসা স্ট্যান্ড পড়ে।বেশির ভাগ পায়ে টানা রিকসা।রিকসা স্ট্যান্ডের পাশেই একটা ঝাঁকড়া বট গাছ।দুপুরের রোদে তার ছায়ায় রিকসা গুলো দাঁড়িয়ে থাকে।এখন রাত, তাই গাছের নীচে নাও থাকতে পারে।সেই দিকে একটু এগিয়ে যেতেই,কোনো রিকসা দেখতে পেলাম না।ভাগ্যটাই মন্দ।আরও কিছুটা এগিয়ে গাছটির নীচে দাঁড়ালাম।না কোনো রিকসা নেই।হঠাৎ একটা গলার আওয়াজ পেলাম। কর্কশ আওয়াজ।
-"কোথায় যাবেন?"
চকিতে আমি পিছন ঘুরে তাকালাম।লোকটি যেন মাটি ফুঁড়ে আমার সামনে ভুস করে একটা রিকসা নিয়ে ঠেলে উঠল।কোথায় ছিল লোকটি? আসার সময় তো ছিল না।একটু অবাকই হলাম,এত রাতে একটা রিকসা নিয়ে কাউকে আসতে দেখে।ভালো করে উপর থেকে নীচে দেখলাম লোকটির।ফুল প্যান্ট, ফুল হাতা জামা।মাথার উপর থেকে ঘুরিয়ে গায়ে চাদর মুড়ি দেওয়া।আবছায়া মতো বোঝা যাচ্ছে তাকে।চোখ গুলো চাদরের মধ্যে লুকিয়ে।দেখা যাচ্ছে না।
-"কোথায় ছিলে?আসার সময় গাছের নীচে দেখিনিতো।" আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম।
-"ওই দোকানের পাশের পাশের গলিতে।একটু
শীত শীত করছিল।" বলল লোকটি।তারপর হাত দিয়ে পাশের গলিটা দেখিয়ে দিল।লোকটির আঙুল গুলো সরু সরু,সেটা চোখে পড়ল।
-"মসজিদ বাটি যাবে?" জিজ্ঞেস করলাম আমি।
লোকটি এবার আমার দিকে ভালো করে চাইলো।তারপর বলল,-"যেতে পারি।তবে বেশি ভাড়া লাগবে বাবু।বুঝতেই তো পারছেন, রাত বিরেতের ব্যাপার।"
এমনি এত রাতে রাস্তায় একটা কুকরের দেখা নেই।তবুও রিকসা পাওয়া গেল, এটা কি কম ভাগ্যের ব্যাপার! বেশি ভাড়ায় রাজী হয়ে গেলাম আমি।

ছোটো পায়ে টানা রিকসা।রিকসাতে উঠে বসলাম আমি।লোকটি প্যাডেলে চাপ দিল।ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ তুলে আস্তে আস্তে রিকসা চলতে শুরু করলো।পাকা ইটের রাস্তা।তার উপর দিয়ে রিকসা চলেছে।রাস্তার দু'পাশে সারি সারি ইউক্যালিপটাসের গাছ।তারপর ফাঁকা মাঠ। মাঝে মাঝে কয়েকটা বাড়ি-ঘর গায়ে গায়ে কোলাকুলি করে আছে।ফুটফুটে জোসনা উঠেছে আকাশে।চাঁদের আলোকে ভেসে যাচ্ছে,মাঠ-ঘাট, রাস্তা,গাছ-পালা,বাড়ি-ঘর।আজ মনে হয় ভরা পূর্ণিমা! নইলে এত চাঁদের আলো কেন? উপর থেকে একটু একটু ঠান্ডা হিম পড়তে শুরু করেছে।এবার বুঝলাম লোকটি কেন,চাদর মুড়ি দিয়ে আছে।রাতের দিতে বেশি ঠান্ডা পড়বে তাই।বেশ কিছু সময় যাওয়ার পর মনে হল, লোকটি কোনো কথা বলছে না।চুপচাপ নিজের মতো প্যাডেল করে যাচ্ছে।এই অদ্ভুত নির্জনতায়,একটু গল্প করলে মন্দ হয় না।তাই লোকটিকে জিজ্ঞেস করলাম,-"কি নাম তোমার?"
আমার প্রশ্নে সেই মুখ ঢাকা চাদরের ভেতর দিয়ে কর্কশ আওয়াজ এল,-"আমার নাম রফিকুল।"
-"ওহ! কোথায় থাকা হয়?"
লোকটি কিছুসময় চুপ থাকার পর বলল,-"
মসজিদ বাটি।"
-"বাহ! তবে তো ভালোই হল।"
-"হু।" লোকটির আওয়াজ পেলাম।
-"তো,এত রাত পর্যন্ত তুমি রিকসা নিয়ে অপেক্ষা করো?"
-"না।আসলে আজ শুনলাম,ট্রেন লেট করবে,
তাই আমিও ভাবলাম একটু অপেক্ষা যাই।যদি লাস্ট ট্রেনে মসজিদ বাটি যাওয়ার কোনো প্যাসেঞ্জার পাই, তবে চলে যাব।নইলে স্টেশন চত্বরেই রাত কাটিয়ে দিতাম।"
লোকটির কথায় আমি একটু অবাক হলাম।
শুধু মসজিদ বাটির প্যাসেঞ্জার কেন!
জিজ্ঞেস করলাম,-"শুধু মসজিদ বাটির প্যাসেঞ্জার হলে যেতে কেন?"
আমার প্রশ্নের উত্তরে লোকটি কর্কশ ভাবে বলল,-"এত প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবেন না।"
চুপ হয়ে গেলাম আমি।কিছুসময় চুপ থাকার
পর,আবার কথা শুরু করলাম।বললাম,
-"কেন আজ,সারাদিন প্যাসেঞ্জার পাওনি ভালো,যে এত রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল?"
-"এমনিতেই প্যাসেঞ্জার কম হয়।আমার ভ্যানে তেমন হয় না।ভাঙা ভ্যান।আমার বয়েস ও হয়েছে,তাই জোরে রিকসা টানতে পারি না।
প্যাসেঞ্জার দের বিরক্ত লাগে।"

আমার চালক তবে বয়স্ক! চাদরের ভেতর থেকে বোঝা যায় না।একটু থেমে আমি বললাম,-"যাক ভালোই হল।আমি তো ভেবে ছিলাম,এত রাতে আর রিকসা পাব না।তবে রিকসা না পেলে পায়ে হেঁটেই যেতে হত।"
-"অন্যদিন হলে পেতেন না।আপনার ভাগ্যটাই ভালো,তাই পেলেন।নইলে মসজিদ বাটি আর যাওয়া হত না।স্টেশনে রাত কাটাতে হত।"
আমার মনে হল লোকটি হাসল।ঠিক বুঝতে পারলাম না আমি।বেশ সময় নিশ্চুপ কাটলো।
রাস্তার দুপাশে গাছ পালা কমে এল।বাড়ি-ঘর ও তেমন একটা নেই এদিকে।একটা সময় পর গাছপালা,বাড়ি-ঘর নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল।ফাঁকা মাঠের উপর দিয়ে চলেছি।চারিদিকে এতটা নিঝুম কেন আজ! একটা নিশাচর প্রানীর ডাক ও শুনতে পেলাম না।অন্তত্য,একটা শেয়াল,বাঘরোল তো চোখে পড়ার কথা ছিল।
একটা প্রানীও দেখতে পেলাম না।
রিকসা টা এবার বেশি দুলতে শুরু করল। কি হল হঠাৎ! নীচে রাস্তার দিকে তাকিয়ে দেখলাম,পাকা ইটের রাস্তা শেষ।কাঁচা মাটির রাস্তা শুরু।বুঝতে পারলাম,এবড়ো,খেবড়ো রাস্তার উপর দিয়ে,রিকসা যাওয়ার ফলে বেশি হেলতে দুলতে শুরু করেছে।

একটা সময় পর লোকটি ফাঁকা রাস্তার উপর
রিকসা থামালো।
-"কি হল,রিকসা থামলে কেন?"
-"বিড়ি ধরাবো।"
এত রাতে,হঠাৎ বিড়ি কেন! আগে তো খেতেই পারতো।লোকটি প্যান্টের পকেট থেকে বিড়ি প্যাকেট,আর একটা দেশলাই বের করলো।
তারপর প্যাকেট থেকে একটা বিড়ি বের করে
ফস করে দেশলাই জ্বালালো।
-"হঠাৎ বিড়ি খাওয়ার ইচ্ছে জাগলো কেন?"
লোকটিকে জিজ্ঞেস করলাম আমি।
-"কেন বিড়ি ধরলাম,একটু পরেই বুঝতে পারবেন।চুপ করে বসুন।"
তারপর লোকটি জোরে রিকসা চালাতে শুরু করলো।এবড়ো খেবড়ো রাস্তার উপর দিয়ে এত জোরে রিকসা যাওয়ার ফলে,প্রচন্ড জোরে জোরে ধাক্কা অনুভব করলাম।
-"হঠাৎ এত জোরে রিকসা চালাচ্ছো কেন?"
-"সামনে বড় কবর স্থান।তাই আজ আবার ভরা পূর্নিমা।....আগুন দেখলে ভূতেরা কাছে আসে না,তাই বিড়ি ধরলাম।আপনিও একটা ধরিয়ে আস্তে আস্তে টানতে থাকুন।"
লোকটি চাদরের ভেতর থেকে তার লিকলিকে
হাতে,বিড়ি আর দেশলাই এর বাস্ক টা আমার দিকে বাড়িয়ে দিল।একটা বিড়ি ধরালাম আমি।যত জোরে পারছে প্যাডেল চেপে যাচ্ছে।আমি ও ভ্যানের তালে তালে হেলতে
দুলতে চলেছি।ক্রমশ জায়গাটা আরও নির্জন হয়ে আসতে লাগলো।লোকটি আরও জোরে প্যাডেল করতে শুরু করলো।
-"এত জোরে চালাচ্ছো কেন?"
-"কবর স্থানের কাছাকাছি এসে গেছি প্রায়।
বাম সাইটে তাকাবেন না একদম।"
-"কেন?বাম সাইডে তাকাবো না কেন?"গভীর বিস্ময়ে জিজ্ঞেস করলাম আমি।
-"আপনি নতুন তাই,জানেন না।প্রতি ভরা পূর্নিমাতে কবরখানার,সব কবরের ঢাকনা খুলে যায়।তারপর প্রেতাত্মা রা মাটি খুঁড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।"

অনেক দিন পর এদিকে আসছি আমি।সেই
কবে চলে গিয়েছিলাম।তাই না জানাটাই স্বাভাবিক।লোকটির কথায় হো হো করে হাসলাম আমি।-"এসব কথা বিশ্বাস করো তুমি?"
-"শুধু আমি নি,গ্রামের সবাই বিশ্বাস করে।অনেকে নিজে চোখে দেখেছে।"
-"অনেকে তো,অনেক কিছু দেখে।তুমি নিজের চোখে দেখেছো কোনোদিন?"
-"না,তা অবশ্য দেখিনি।"
-"তবে বিশ্বাস করো কেন?"
-"সব কিছু চোখে দেখে,বিশ্বাস করতে হবে
তার কোনো মানে নেই।আর ভাগ্যে থাকলে আপনার ও আজই দেখা হয়ে যেতে পারে।কবর স্থান এলে বাঁদিকে তাকিয়ে থাকবেন।"
-"আচ্ছা,তাই থাকবো।"
লোকটি চুপ হয়ে গেল।আবার একটা বিড়ি ধরালো।

একটু পরেই কবরস্থান চোখে পড়ল।রাস্তা থেকে হাত দশেক দুরে মাঠের উপরে।বড় কবরস্থান। ইটের পাঁচিল দিয়ে ঘেরা।চারিদিকে ঝোপঝাড়ে ভর্তি।চাঁদের ঝকঝকে আলোয়, পরিষ্কার সব দেখা যাচ্ছে।হঠাৎ লোকটি যেন ইতস্তত হয়ে পড়ল।এবং দ্বিগুন গতিতে গাড়ি চালাতে লাগলো।কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলতে লাগলো রিকসা।কই, কিছু দেখতে পাচ্ছি না তো!
-"কোথায় তোমার প্রেতাত্মা রা?এখনো সময় হয়নি নাকি বের হওয়ার?"লোকটিকে জিজ্ঞেস করলাম আমি।
-"ভূত-প্রেত নিয়ে মজা করবেন না।চুপ করে বসে থাকুন।" লোকটি কড়া গলায় বলল।

আমি চুপ হয়ে গেলাম।একদৃষ্টে তাকিয়ে আছি
কবরস্থানের দিকে।কিছুই তো দেখতে পাচ্ছি না।হাতের ঘড়িতে দেখি একটা বাজে।কাঁটায়
কাঁটায় একটা।কবরস্থানে ঢোকার গেট আসতেই, আমি লোকটিকে রিকসা থামাতে বললাম।
-"রিকসা থামাও।"
-"না,এখানে রিকসা থামানো যাবে না।"বলল
লোকটি।
ধমক দিয়ে উঠলাম আমি।-"থামাও অাগে রিকসা।"
লোকটি তবুও রিকসা থামালো না।অগত্যা চলন্ত রিকসা থেকে লাফিয়ে নেমে পড়লাম আমি।এবার রিকসা থামালো লোকটি।বলল,-"নেমে পড়লেন কেন?এখানে একদম দাঁড়াবেন না।প্রেতাত্মাদের মাটি খুঁড়ে বের হওয়ার সময় হয়ে গেছে।....বলছি উঠে পড়ুন।"
লোকটির কোনো কথা শুনলাম না আমি।
আস্তে আস্তে কবরস্থানের গেটের কাছে এগিয়ে গেলাম।চন্দ্রালোকে,কবরস্থানের ভেতরটা পরিস্কার দেখা যাচ্ছে।কাছে গিয়ে পরিস্কার দেখতে পেলাম,একটা কবর খানার উপরে অস্পষ্ট কে যেন দাঁড়িয়ে আছে।রিকসা
থেকে লোকটি নেমে কখন যেন আমার পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে।আমাকে উদ্দেশ্য করে কর্কশ স্বরে বলল,-"বাবু,এখানে দাঁড়াবেন না।তাড়াতাড়ি চলুন।"
আমি লোকটির দিকে ফিরে তাকাতেই বিকট জোরে কঁকিয়ে উঠল সে।থর থর করে কাঁপতে শুরু করল।চোখ গুলো ঠিকরে বাইরে বেরিয়ে আসতে লাগলো তার।
-"আমার বাড়ি এসে এসে গেছে।"বললাম আমি।বিকট শব্দে হো হো হো করে হেসে উঠলাম।আমার হাসিতে সারা কবরস্থান জেগে উঠল।মাটি খুঁড়ে সমস্ত প্রেতাত্মার দল
বেরিয়ে আসতে লাগলো।জোছনালোকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে সব।এক ধাক্কায় গেট খুলে ফেললাম।চারিদিকে ঠান্ডা বাতাশ।প্রেতাত্মাদের নিশ্বাসপ্রশ্বাস।সেই সাথে বিভৎস চিৎকার-চেঁচামেচি।লোকটি কাঁপতে কাঁপতে রিকসার দিকে ছুটলো।

কবরস্থানের ভেতরে ঢুকলাম আমি।অনেক
দিন পর নিজের বাড়ি ফিরছি।আমার কবর টা খুঁজে,তার ভেতর ঢুকে পড়লাম।
~~~~~

ডাউনলোড করে নিন 'গল্পপড়ুয়া' অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। আর ব্লগের সব গল্পপড়ুন আপনার হাতের মুঠোয়। ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন। http://www.mediafire.com/file/no8rm8bza5xaqnf/Golpoporuya.apk

স্বদেশ কুমার গায়েন (২০১৬)

No comments

Powered by Blogger.