|| রেইন || ছোটগল্প || স্বদেশ কুমার গায়েন ||



(১)

-"দেখিস,আজ বিকেলের এই বৃষ্টিই বলে দেবে,আমরা পরষ্পর কে ভালোবাসি কিনা!"
কথাটা বলে অহনা রাস্তার উপর ছুটে যায়।ঝম ঝম শব্দে বৃষ্টি নেমেছে।কালো পিচ রাস্তার উপর বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে যেন ফোয়ারা তৈরী হচ্ছে। আমি বোকার মতো এক মুহুর্ত বসে থাকি।বৃষ্টি কি করে বলে দিতে পারে......!
গল্পটি একটু আগে থেকে শুরু করি। তখন আকাশ পরিষ্কার ছিল।এরকম বৃষ্টি নামতে পারে, আমরা কেউ কেউ কল্পনা করতে পারিনি।তবে কয়েকদিন ধরে বেশ দাবদাহ চলছে।এই বৃষ্টিটাই তার কারন।দু'জন রাস্তা ধরে হেঁটে চলেছি।
-"আমরা পরষ্পর কে সত্যিই ভালোবাসি তো?" অহনা কপালের উপর থেকে চুল গুলো সরিয়ে বলে।
মাথার উপর গনগনে রোদ।আমি কুলপিবরফ খাচ্ছিলাম।মন্দ লাগছিল না।অহনার কথা শুনে আমার মুখের ভেতর মট করে ভেঙে গেল সেটা। অর্ধেক টা মুখের ভেতর আর বাকি টা বাইরে বের করে আনি।হাঁ করে অহনার দিকে তাকিয়ে থাকি।কথা বলতে পারি না।আমাদের সম্পর্কের এক বছর হতে চলল প্রায়।আর এখন এসে এরকম একটা কথা শুনতে হল!এর আগে আমি কালা হয়ে যায় নি কেন?
-"ডাইনোসরাসের মতো ওরকম বড় হাঁ করে আছিস কেন?"অহনা মুখ বেঁকিয়ে,চোখ গুলো বড় বড় করে বলে।
অহনার হাতেও একটা কুলপিবরফ।এখনো সেটা মুখে দেয়নি।কাঠিটা দু'আঙুলে ধরে একটু একটু করে ঘোরাচ্ছে।মিষ্টি জল গড়িয়ে এসে পড়ছে তার বেল ফুলের পাপড়ির মতো হাতের উপর। কলেজ থেকে বেরোনোর সময় দু'টো কুলপিবরফ কিনেছিলাম।কুড়ি টাকা দিয়ে। আজ শনিবার।পি.কে.এস স্যার আসেন নি।তাই একটা বাজতেই কলেজ থেকে বেরিয়ে পড়েছি দু'জন।মাথার উপর সূর্যি মামার তীব্র আদর নেমে আসছে।সম্পর্কে মামা হলে কি হবে-আসলে ব্যাটা শকুনি মামা,নইলে কংস মামা। ভ্যাপসা একটা গরম হাওয়া নাকে-মুখে এসে ঢুকছে।কলেজের ঠিক গেটের কাছেই, কুলপিওয়ালা তার সরঞ্জাম নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। অহনা বলেছিল,-"এই শুভ,কুলপি খাবি?"
-"তুই টাকা দিয়ে খাওয়ালে,না খাওয়ার তো কোনো কারন দেখছি না!"আমি বলি।
-"পারবো..ও..ও.. না।খাব আমি, আর টাকা দিবি তুই।"
-"কোনদিন টা টাকা দিয়েছিস! এ মেয়ে ধ্বংস করতে এসেছে আমার।"
আমি অস্ফুট স্বরে আস্তে আস্তে বলি।
-"কি?..কি...বললি?"অহনা চোখ মোটা করে আমার মুখের দিকে তাকায়।এই চোখ দেখলে, আমি যে একেবারে ভয় পাই না,তা ঠিক নয়। মাঝে মাঝে বুকে একটু আধটু কাঁপুনি ধরে।
-"বললাম যে,দশ টাকার নিবি না, পনেরো টাকার?"আসল কথাটা চেপে যাই।
-"দশ টাকার।"বলে অহনা।
তারপর দু'জন দু'টো কুলপি নিয়ে হাঁটতে থাকি।কলেজ থেকে পনেরো মিনিট হেঁটে আমাদের বাড়ি যাওয়ার বাস ধরতে হয়।সবাই মোটর ভ্যানে যায়।আমরা দু'জন যাই না।গল্প করতে করতে হাঁটতে থাকি।রাস্তার দু'পাশে গাছের শীতল ছায়া নামে। সেই ছায়া মেখে হাঁটতে থাকি দু'জন। আজও সেই রকম হাঁটতে হাঁটতে অহনার কথা শুনে,আমার মুখ হাঁ হয়ে যায়।মুখের ভেতর ভাঙা কুলপি।আলতো করে চাপ দিতেই জল হয়ে যায়।তারপর অহনার প্রশ্নের উত্তরে বলি,-"তোর কথা শুনে ডাইনোসরাসের মতো তোকে গিলে খেতে ইচ্ছে করছে।"
-"কেন?" অহনা ভুরু কোঁচকায়।
-"তোর কি করে সন্দেহ হল যে,আমরা পরষ্পর কে ভালোবাসি না?"
-"কি জানি! এটা শুধু একটা ভালোলাগা নয় তো?আমাদের ভাল লাগছে তাই,এক সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছি,গল্প করছি.......!।"অহনা বলে।
বোকার মতো কথা শুনলে সবারই রাগ হয়। আমারও তাই হল।একটু রাগ করেই বলি,-"ভালোলাগা টা না হলে,ভালোবাসা আসবে কোথা থেকে?"
অহনা চুপ করে থাকে।বেশ কিছু সময় পর বলে,-"সেটাও ঠিক।তবুও যেন আমার কেমন ভয় করে!"
-"ভয় টা আছে বলেই তো, ভালোবাসা আছে।এই দেখ,তুই আমাকে ভালোবাসিস বলেই তো, আমাকে হারানোর ভয় করছিস!" আমি অহনার দিকে তাকিয়ে বলি।
-"কিন্তু তুই আমাকে ভালোবাসিস?"আমার দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় অহনা।
ওর কথায় আমার হাসি পায়।হাত দু'টো কে দু'পাশে ছড়িয়ে দিয়ে বলি,-"এতটা ভালোবাসি।"
-"ছাই বাসিস.....।"অহনা ঠোঁট ওলটায়।
-"কি করে বোঝাবো তোকে!- একটু কাছে আয় তবে...।"
-"থাক,আর বুঝিয়ে কাজ নেই।"


(২)

এখনো আমরা বাস রাস্তায় এসে পৌঁছায় নি। মিনিট পাঁচেক বাকি।সূর্যি মামা হঠাৎ খন্ড খন্ড কালো মেঘে ঢেকে গেছে।গাছ-পালা গুলো কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে।বোবার মতো শান্ত নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। শিকারের আগে বাঘ যেমন শান্ত হয়ে যায় ঠিক তেমন। একটু পরেই হয়তো কালবৈশাখী নামবে।সেই সাথে মেঘেদের আর্তনাদ আর ঝম ঝম করে বৃষ্টি।চারিদিক সাদা হয়ে যাবে।
মরসুমের প্রথম বৃষ্টি!
ভাবনার গভীরে ডুবে যাই আমি। ঠিক এক বছর আগেও এরকম মরসুমের প্রথম বৃষ্টিতে অহনা কে দেখেছিলাম।পাশের বাড়ির ছাদের উপর ভিজতে। হাত দু'টো পাখির মতো ডানা মেলে দিয়েছিল।চোখ দু'টো বন্ধ।মুখ টা আকাশে দিকে করা।প্রতিটা বৃষ্টির ফোঁটা যেন মুখে এসে চুমু দিচ্ছিল।বেশ কিছুসময় পর জলভেজা শরীরে ছাদের উপর দাঁড়িয়ে দেখছিল মেঘলা আকাশ টি কে।আর হাত বাড়িয়ে ধরছিল টুপ টুপ করে পড়া বৃষ্টির ফোঁটা।তখন কে জানতো,এই মেয়েই আমার চোখ দু'টো কে খুন করতে এসেছে!
অপূর্ব সে রুপ!
যেন এক জলপরী!
যেন এক উন্মত্ত নৃত্যরতা ময়ূরী!
আমি জানালা দিয়ে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিলাম অহনার দিকে।জল ভেজা জামায় শরীরের প্রতিটা চড়াই-উৎরাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। বেশিক্ষন তাকিয়ে থাকতে পারিনি। চোখ নামিয়ে নিয়েছিলাম।কোনো এক অজানা আকর্ষন অনুভব করেছিলাম সেদিন।ঘর থেকে বেরিয়ে সিড়ি দিয়ে নেশাগ্রস্তের মতো ছাদে উঠি।বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে দেয়।দু'জন ভিজতে থাকি।দু'টো ছাদে।

আমাদের পাশের বাড়ি টা অভিরুপ দের। অভিরুপ আমার ছোটোবেলার বন্ধু। ছোটো থেকেই একই সাথে পড়া-শুনা,খেলা-ধুলা করে এসেছি।এখনও করি।আমি অভিরুপের বাড়ি প্রায়ই যাই।আজও সন্ধ্যাবেলা হাজির হই।এক সাথে বসে গল্প করি। অভিরুপের মা কিছু খাবার এনে দেয়।আমি ওর কম্পিউটার টা অন করে গেম খেলতে থাকি।
-"তোদের বাড়িতে কি কেউ এসেছে?"আমি কম্পিউটারের স্ক্রিনে চোখ রেখেই জিজ্ঞেস করি।
-"ওই, অহনা আমার পিসীমার মেয়ে। এবার থেকে এখানেই থাকবে।বেশি তাকাবি না ওর দিকে।" অভিরুপ বলে।
এ তো মেঘ না চাইতেই জল।আমি মনে মনে হাসি।ঘুরে ওর পিট চাপড়ে,আবার গেম এ নিমগ্ন হই।
-"কেন রে?" আমি বলি।
আজ দুপুরে অহনা বলছিল,-"এই অভি,ওই পাশের বাড়ির ছেলেটা কে রে?ছাদে উঠে, ড্যাবড্যাব করে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল।যেন কোনোদিন মেয়ে দেখিনি! হাঁদারাম একটা!"
গেম টা বন্ধ করে ওর দিকে ঘুরে তাকাই।ওরে হাঁদু! মেয়েদের হাঁদারাম বলার মধ্যেও একটা প্রেম থাকে। মনে মনে বলি আমি।আমার জন্যেই তো,ঈশ্বর অহনা কে এখানে পাঠিয়েছে। নইলে, এত বছর আমি অন্য কারও প্রেমে পড়লাম না কেন........!

অহনার হাতের ধাক্কায় আমার ঘুম ভাঙে।সেই সুদূর একবছর আগে থেকে,বর্তমানে ফিরে আসি।
-"তখন থেকে,কি ভাবছিস বলতো? দেখ ঝড় উঠেছে।" অহনা বলে।
চারি পাশ টা কখন কালো হয়ে গেছে বুঝতে পারিনি।গাছ-পালা গুলো এবার কথা বলতে শুরু করেছে। একটা ঝোড়ো হাওয়া রাস্তার উপর ঘুর্নির সৃষ্টি করে। সেই সাথে একরাশ ধুলো এসে আমাদের কে জড়িয়ে ধরে। অহনা ছাতা বন্ধ করে ব্যাগে ঢোকায়।ওড়না দিয়ে চোখ
ঢাকে।


(৩)

বাস স্ট্যান্ডের পাশেই একটা দর্জির দোকান। বেশ বড় না হলেও,খুব একটা ছোটো নয়। ভেতরে সেলাই মেসিনের আওয়াজ হচ্ছে। আমার দু'জন দোকানটির শেডের নীচে গিয়ে দাঁড়াই।কখন বাস আসবে কে জানে! একটু পরেই দুর থেকে সোঁ সোঁ আওয়াজ আসে।মনে হয় রুপকথার দৈত্যেরা দলে দলে ছুটে আসছে।
-"খুব জোরে বৃষ্টি আসবে,মনে হয়!" অহনার দিকে তাকিয়ে বলি আমি।
-"আসুক।খুব ভাল হবে।" বলে অহনা।
-"কচু ভালো হবে।কি করে বাড়ি যাব?"
-"বাড়ি যাব না।রোডের উপর বৃষ্টিতে ভিজবো।"
-"শখ কত বাবুর! আমি ভাবছি বাস আসবে কখন,আর উনি বৃষ্টিতে ভিজবেন!"
মুহুর্তের মধ্যে বৃষ্টির এক ঝাপটা এসে আমাদের ভিজিয়ে দেয়।এ মরসুমের প্রথম বৃষ্টি! সারা শরীরে একটা শিহরন জাগে। সাদা হয়ে আসে চারিদিক।আর অহনা তখন কথাটি বলে,-"দেখিস, আজ বিকেলের এই বৃষ্টিটা বলে দেবে,আমরা পরষ্পর কে ভালোবাসি কিনা!"
কথাটা বলেই অহনা রাস্তার উপর ছুটে যায়।ঝম ঝম শব্দে বৃষ্টি নেমেছে। .......আমি কিছুসময় বোকার মতো বসে থাকি। তারপর ব্যাগ থেকে ছাতা বের করি। ছাতাটা খুলে অহনার কাছে ছুটে যাই।
-"পাগলামো করিস না।এখন বৃষ্টিতে ভেজা ভাল নয়।শরীর খারাপ করবে।" আমি অহনার মাথার উপর ছাতা ধরি।
-"করে করুক।"অহনা,আমার হাত থেকে ছাতাটা কেড়ে নেয়।বৃষ্টির তালে তালে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। সেই হাওয়ায় আমার ছাতাটা ছেড়ে দেয়। কিছু দুরে একটা বট গাছের ডালে গিয়ে বেঁধে যায় ছাতাটা।
-"আমার ছাতা..! কে.সি পল....আড়াইশো টাকা....।"আমি ছুটে যাই গাছের দিকে। কয়েকবার লাফিয়ে ছাতাটা ধরার চেষ্টা করি। পারি না। হি হি হি করে হাসে অহনা।আমার
পাশে এসে দাঁড়ায়।
-"দাঁত বের করতে হবে না।গাছে উঠে আমার ছাতা নামিয়ে দিবি।"অহনার দিকে তাকাই আমি।
-"আমি গাছে উঠতে পারি না।তবে আমাকে উঁচু করে তুলে ধর,নামিয়ে দিচ্ছি।"
-"ওহ! বুঝেছি,এসব কোলে ওঠার প্লান!"
-"বয়েই গেছে,তোর কোলে উঠতে। তবে ছাতা থাক,আমি চললাম।"
হাত চেপে ধরি অহনার।হেসে বলি,-"আচ্ছা বাবা! রাগ করছিস কেন?তুলছি তো।"
দু'হাত দিয়ে অহনার কোমোরের নীচে জড়িয়ে ধরি। তারপর উঁচু করে তুলি।একটা ভালোলাগা এসে জড়ো হয় শরীরের মধ্যে। মনে হয়, আরও কিছুক্ষন ও কে এই ভাবে কোলে করে রাখি। গাছের ডাল থেকে ছাতাটা নামিয়ে আনে অহনা। আমার হাতে দেয়।ছাতাটা বন্ধ করে ব্যাগে ঢোকাই।

একটা বাস এসে থামে।সবাই জল মেখে ছুটে বাসের ভেতর ওঠে।
-"এই চল,বাস এসে গেছে!" অহনা কে বলি আমি।
আমার হাত চেপে ধরে অহনা।বলে,-"আরও অনেক বাস আসবে।চল, বৃষ্টির মধ্যে কিছুক্ষন হাঁটি।"
আমি অহনার চোখের দিকে তাকিয়ে থেমে যাই।হুস করে বাসটি আমাদের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়।কালো কাদাজল ছিটকে এসে অহনা কে স্নান করিয়ে দেয়।
-"ওই! বাস...শালা তোমার চাকার হাওয়া খুলে দেব।" অহনা চেঁচায়।হো হো করে হেসে ওঠে।আমারও হাসি পায়। হাসতে থাকি।এবার অহনা আমার দিকে তাকায়।ছুটে এসে জড়িয়ে ধরে। সমস্ত কাদাজল আমার গায়ে মুছে দেয়।
-"কি হল এটা?"আমি জিজ্ঞেস করি।
-"বেশ হয়েছে।"অহনা বলে।
তারপর আমার হাত ধরে পাশে টেনে নেয়। হাইওয়ের মতো বড় পিচের রাস্তা।এক পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকি দু'জন।পাশাপাশি।দু'টো শরীর পরষ্পর কে ছুঁয়ে যায়।মাথার উপর অনবরত বৃষ্টি,স্নান করিয়ে দিচ্ছে আমাদের। আবার কখন বাস আসবে জানিনা!

(৪)

ভোর রাতে অবস্থাটা টের পাই।ঠান্ডা করতে শুরু করে। মাথা ভার হয়ে ওঠে।সকাল হতেই নাক দিয়ে জল গড়াতে শুরু করে।কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।মা এসে নির্দিষ্ট সময় অন্তর জলপটি দিয়ে যায়।বালিশের পাশে রাখা ফোনটা হাতে নিই। অহনা কে ফোন করি।
-"হ্যাঁলো! বল।" ওপার থেকে অহনার চাপা গলার আওয়াজ আসে।
-"আজ কলেজ যাবি না?"আমি জিজ্ঞেস করি।
-"না রে।নাক দিয়ে অনবরত জল পড়ছে।মাথাটা ধরে আছে।রাত থেকে জ্বর এসেছে।মামীমা এই জল পটি দিয়ে গেল।"
আমার হাসি পায়।বলি,-"আমারও একই কেস। আমার কথা তো শুনলি না কাল।কত করে বললাম,এই বৃষ্টিতে ভিজলে শরীর খারাপ করবে।"
-"সত্যিই! তোর জ্বর এসেছে,শুভ?" অহনা বিস্ময়ে জিজ্ঞেস করে আমায়।
আমি হ্যাঁ বলি।অহনা হাসে।বলে,-"বেশ হয়েছে।"
-"কেন?"আমার গলায় বিস্ময় নামে।
-"কাল বলেছিলাম না যে,আজ বিকেলের এই বৃষ্টিই বলে দেবে, আমরা পরষ্পর কে ভালোবাসি কিনা!"
আমি অবাক হয়ে যাই।ফোনের ওপার থেকে অহনার হাসির শব্দ শুনতে পাই।

স্বদেশ কুমার গায়েন (২০১৬)

প্রিয় বন্ধুরা, 'গল্পপড়ুয়া' ব্লগটি ভালো লাগলে আপনার সমস্ত সাহিত্যপ্রেমী বন্ধুদের  কে ব্লগের অ্যাড্রেস শেয়ার করুন। এবার থেকে বিখ্যাত ব্যাক্তিদের গল্প-কবিতা,জীবন কাহিনি পড়তে পারবেন 'গল্পপড়ুয়া ' ব্লগে।
 ব্ললগ অ্যাড্রেস: www.golpoporuya.in

No comments

Powered by Blogger.