একটি প্রেমের গল্প " নীল আকাশ "



ড: সুধীর চন্দ্রসেন স্মৃতির ফুটবল টুর্নামেন্ট। পুরো গ্যালারি টা দর্শকে খচাখচ ভর্তি। খেলা শেষ হতে আর মিনিট দুয়েক বাকি।......বলটা বুকে রিসিভ করে,পায়ে নামাল আকাশ। সামনে তিন জন ডিফেন্ডার এগিয়ে এল।...একটা আউট ডজ,....তারপর ইন ডজ...। ছিটকে পড়ে গেল গেল সামনের দুজন। কাঁধের ঝাঁকুনি তে আরেকজন ।এখন সামনে শুধুই গোলকিপার, ডিপ বক্সের উপর এগিয়ে এসেছে।ব্রাজিলের নেইমারের মতো একটা ছোটো পায়ের স্কিলে, গোলকিপার কে পিছনে ফেলে,গোলের সামনে এগিয়ে গেল। জালের মধ্যে বল ঠেলার আগেই একবার পিছন ঘুরে তাকাল আকাশ। ডিফেন্ডার গুলো এখনো কেউ উঠতে পারিনি। মাঝ মাঠ থেকে প্লেয়ার ছুটে আসছে তার দিকে। আকাশের চোখ টা চলে গেল তার ডান দিকের স্টেডিয়ামের গ্যালারি তে। লাল সালোয়ার কামিজ পরা একটা মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে হাত নাড়ছে। এক মুহুর্তের জন্য আকাশের চোখ আটকে গেল সেই লাল ফ্রেমে। সবাই গোল ল....ল...ল বলে চিৎকার করতে লাগল। দুটো প্লেয়ার,আকাশের কাছে আসতেই, হিল দিয়ে বল টা ঠেলে জালের মধ্যে পাঠিয়ে দিল। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে টোলগে ওজবের করা গোলটার কথা মনে পড়ে গেল আমার। রেফারীর শেষ মিনিটের বাঁশি বাজতেই প্রবল একটা চিৎকার উঠল গ্যালারি তে। ড: সুধীর সেন ফুটবল টুর্নামেন্টে,প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠল আমাদের ক্লাব– ডেইলি স্পোর্টস ।
মাঠের বাইরে আমার সবাই আকাশ কে ঘিরে ধরলাম। হঠাৎ পেছন দিক থেকে কে যেন বলে উঠল, "হাই! আমি নীল।"
আমারা সবাই ঘুরে গেলাম এক সাথে। সেই লাল সালোয়ার কামিজ পরা মেয়েটি। মুহুর্তের মধ্যে আকাশের নেইমার ভাব টা উভে গিয়ে হলিউডের হিরো টমক্রুজের আকার ধারন করল। ক্রুজ মার্কা এক হাসি হেসে হাত টা এগিয়ে দিয়ে বলল,"হাই! আমি আকাশ"
-" আপনার পায়ের স্কিল সত্যি দেখার মতো" মেয়েটি মিষ্টি করে হাসল।
আকাশ এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে মেয়েটির দিকে। হাত ছাড়ার কোনো লক্ষন নেই। হঠাৎ ঘুম ভাঙল সমীরন দার আলতো চাপড়ে। সমীরন দা,আমাদের ক্লাবের ফুটবল টিমের কোচ। ছ'ফুটের কাছাকাছি লম্বা। বয়স খুব বেশী নয়,এই আঠাশের কাছাকাছি।একসময় কলকাতার বড় ক্লাবে ডাক পেয়েছিল। কিন্তু চোটের কারনে ক্যারিয়ারের বারোটা বেজে যায়।
-"ব্রেলিয়ান্ট বয়। ফাইনালে কিন্তু এইরকম খেলতে হবে" সমীরন দা আকাশের কাঁধ ঝাঁকালো। তারপর মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বলল,-"আরে নীল ,কখন এলি খেলা দেখতে?"
-" এই তো! হাফ টাইমের পর থেকে" মেয়েটি আবার হাসল।
মেয়েটি যখন সমীরন দার সাথে চলে যাচ্ছিল, তখন আকাশের মুখটা দেখে আর না হেসে থাকতে পারলাম না। একটা ধাক্কা মেরে বললাম,-" কি রে! টম ক্রুজ থেকে, সোজা একেবারে বলিউডের জনি লিভার হয়ে গেলি?"
জার্সি টা ঘাড়ের উপর দিয়ে,আকাশ বলল,-" কেস টা ঠিক বুঝলাম না!"
-" মামু! তোমার বুঝে কোনো লাভ নেই। বাড়ির দিকে চল"
প্রতিদিন প্রাকটিসের পর আমারা রাত ন'টা পর্যন্ত মাঠে বসে থাকি।আমরা বলতে আমি আর আকাশ। বাকি সবার দুরে বাড়ি বলে আগেই চলে যায়। কালো আকাশে তারা গুলো ,চোখের পলক ফেলার মতো মিট মিট করছে।মাঠের পাশে টোটোন দের বাড়ি থেকে গন্ধরাজের একটা মনকাড়া সুবাস ভেসে আসে এইসময়। আকাশ ঘাসের উপর শুয়ে আছে, আর একটা একটা করে ঘাস ছিঁড়ে চিবোচ্ছে। ওর ঘাস খাওয়ার ও একটা কারন আছে।যেদিন থেকে মেয়েটি আকাশের হাতে হাত মিলিয়েছে,সেদিন থেকেই ওর ফিউজ উড়ে গেছে। খেতে, শুতে, হাঁটতে,পড়তে এমনকি ঘুমানোর পরও মেয়েটির মুখ ওর চোখের সামনে। সেদিন দুপুরে খাওয়ার টেবিলে জল খেতে গিয়ে, জল ভর্তি গ্লাস এক থালা ভাতের উপর ফেলে দিল।কারন কী? কারন নাকি, ও গ্লাসের জলে চুমুক দিচ্ছিল না। ওই মেয়েটির ঠোঁটে চুমুক দিচ্ছিল।
চাঁদের আলোয় ওর ঘাস খাওয়া দেখে আমি বিরক্ত হয়ে বললাম,-"গরুর মতো ঘাস খেলে হবে! মেয়েটাকে আমি সমীরন দার বাড়িতে দেখেছি। মনে হয় ওদের বাড়িতে ভাড়ায় উঠেছে।"
আকাশ খ্যাঁক করে ওঠে,-" পিউ, ঠিকই বলে, তোর মাথায় গোবরে ভর্তি। ভাড়ায় উঠলে সব সমীরন দার হয়ে যাবে? দেখলি না, কিরকম ভাবে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল।"
আমি মাথা চুলকোতে লাগলাম।পিউ আমাকে অনেক কিছুই বলে। মাঝে মাঝে গোবর গনেশ বলে ডাকে। এগারো ক্লাসের ফিজিক্সের প্রবলেম গুলো সলভ করতে গিয়ে যখন আরও প্রবলেমে ফেঁসে যাই তখন ও মাথায় একটা চাঁটি মেরে বলে,-"তোর মাথায় কি গোবর ছাড়া আর কিছু নেই?সরল জিনিষ গুলো শুধু জটিল করে তুলিস! সায়েন্সে এসে ভর্তি হলি কেন?"
আমি একটু ভাবুক হয়ে যাই ওই মুহুর্তে। হাত দুটো ঘাড়ের কাছে এনে বলি,-" সবাই বলে গোবরে ও পদ্মফুল ফোটে। তাই একটাচেষ্টা করতে এসেছি।"
পিউ হি হি হি করে হাসে আমার কথা শুনে। ওর এই হাসি টা দেখলে আমার বুকের ভেতর টা যেন কেঁপে ওঠে। আবার কেমন যেন একটা ভাললাগা তৈরী হয়।

-" নামটা কি সুন্দর দেখেছিস, নীল" আকাশ আমার দিকে এক টুকরো ছেঁড়া ঘাস ছুড়ে মারে। আমি ফ্যাক করে হেসে বলি," নীল একটা নাম হল, শুনলেই কেমন যেন নীল বিদ্রোহের কথা মনে পড়ে।"
আকাশ ভ্রুকুটি করে," তোর তো খারাপ লাগবেই! কাল বাড়ি তে বাবাকে বলব,পুরো বাড়িটা নীল রঙ করতে।"
আমি একটা বিদ্রুপের হাসি দিই।– "তোর গাছে কাঁটাল গোঁফে তেল কেস হয়েছে। ভাবুক রাজা হওয়া বন্ধ কর তো। "
-" গালের টোল দু টো দেখেছিস! একদম চাবুক" আকাশ উঠে বসে।
-" কার? "আমি জিজ্ঞাসা করি।
" কার আবার? নীলের।" আকাশ বিরক্ত হয়।– " হাসি তো নয় ,যেন ছুরি দিয়ে কেক কাটছে। ওই ছুরির আঘাতে মরেও সুখ আছে।"
বুঝতে পারছি, আকাশ সেন্টু খেয়ে যাচ্ছে। আমি উঠে দাঁড়িয়ে বললাম,-"বেশী সেন্টু খেয়ে লাভ নেই। পরের রবিবার ফাইনাল খেলা, সেদিকে মন দে।"
দু দিন পর দুপুরে আকাশের ফোন। ফোনটা রিসিভ করতেই আকাশ বলল,-" ভাই দীপু, তাড়াতাড়ি একটু বিপুল দার দোকানের সামনে আয়।"
আমি তাড়াতাড়ি করে গেঞ্জি টা মাথায় গলিয়ে বিপুল দার দোকানের সামনে হাজির হলাম। আমি যেতেই, একটা পাঁচ টাকার কুরকুরের প্যাকেট আমার হাতে ধরিয়ে দিল। বুঝলাম,মতলব ভাল নয়।-" নাটক না করে, মূল ঘটনা টা বল।"আমি বললাম।
-" নীল ওই দিকে গিয়েছে" আকাশ হাত দিয়ে দেখাল।
" তো?"
" কিছুক্ষনের মধ্যে হয়তো ফিরবে।"
এত তো মহাঝামেলায় পড়লাম। আমি বিরক্ত হয়ে বললাম,-" তো আমাকে কি করতে হবে?"
-" তোকে বেশী কিছু করতে হবে না। তোদের বাড়ির গোলাপ গাছ থেকে মাত্র একটা গোলাপ ফুল এনে দে। আজকেই প্রোপোজ করব।"

দুপুর বেলা ফোন করে ডেকে কুরকুরে খাওনোর মতলব টা এবার বুঝতে পারলাম। প্যাকেট টা ওর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললাম,-"ফুল তো দুরের কথা,গোলাপ গাছের একটু ছাল ও দিতে পারব না।দিদি জানতে পারলে অর্ধচন্দ্র দিয়ে আমাকে ঘর ছাড়া করবে।"
আকাশ আমার হাতে পায়ে পড়তে লাগল।–" নাইট শো য়ে সিনেমা দেখাব, ফুচকা খাওয়াব,চাউমিন,রোল যা চাইবি তাই কিন্তু এই মুহুর্তে গোলাপ ফুল টা তোর বাড়ি ছাড়া কোথাও পাব না।"
মনে মনে ভাবলাম নিজে এখনও একটা গোলাপ ফুল পিউ কে দিতে পারলাম না, আর ওনার জন্য....!
কিন্তু আকাশের মুখের নানারকম জিওগ্রাফি আর সহ্য করতে না পেরে বাড়ি থেকে একটা গোলাপ ফুল ভেঙে এনে হাতে দিয়ে বললাম
-" যা পারিস কর।আমি ভাগছি। দেখিস চড় টড় খাস না যেন?"
কুরকুরের প্যাকেট টা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল,-" যা ভাগ! বিকালে মাঠে দেখা হবে।"

বিকেলে মাঠে গিয়ে দেখি আকাশের দেখা নেই। সমীরন দা কে জিজ্ঞাসা করেও কোনো সদুত্তর পেলাম না। অবশেষে বুবাইয়ের সাইকেল টা নিয়ে ওর বাড়ি গিয়ে দেখি,–চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে। পাশের টেবিলের উপর সেই গোলাপ ফুল টা রাখা। বুঝলাম, টায়ার পাংচার হয়ে গেছে। চাদর টা টেনে সরিয়ে
দিয়ে বললাম,-" মামু, কেস টা কি?"
-" আমি ফুটবল খেলা ছেড়ে দেব।" আকাশ শুয়ে পড়েই উত্তর দিল।
-"কেন?" আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম।
-" আমি জলে ঝাঁপ দেব।"
বুঝলাম মাথার সার্কিটে গন্ডগোল দেখা দিয়েছে। অনেক টা জোর করে মাঠে নিয়ে গেলাম। প্রাকটিস শেষে সবাই চলে যাওয়ার পর কেস টা জানতে পারলাম। আকাশ মুখ খুলল,-" তুই ঠিকই বলেছিলিস দীপু। ও সমীরন দা কে ভালবাসে, নইলে সমীরনদার বাইকের পিছনে চেপে,সমীরন দার ঘাড়ে হাত দিয়ে কেউ আসে!"
বুঝতে পারলাম, দুপুর বেলা নীল ফিরেছিল কিন্তু সমীরন দার বাইকের ব্যাকসিটে চেপে। তাই ফুলটা আর দেওয়া হয়নি। আমি একটা বড় করে নিশ্বাস ফেলে বললাম,-" খুব জড়াজড়ি করে বসে ছিল নাকি?"
আকাশ মিনমিনে গলায় বলল,-" আমি অত কিছু লক্ষ করিনি।"
-" ও সব ছাড়! ফাইনালে একটা হ্যাট্রিক মেরে দিস, তখন দেখবি নীল, কোচ ছেড়ে
স্টাইকারের কাছে ছুটবে।" আমি ওকে কিছু টা আশ্বস্ত করলাম।

আজ সেই রবিবার। বিকেল সাড়ে তিনটে। বহুপ্রতিক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ। আমাদের ক্লাবের সাথে, পূর্বপাড়ার নিউ ইয়ংস্টার ক্লাবের। এই ইয়ংস্টার ক্লাবের ছেলে গুলো হেব্বি চ্যাদোড়। আমাদের পাড়ার সব মেয়ে গুলোকে পটিয়েছে,শুধু পিউকে বাদ দিয়ে। তাই ওদের সাথে যখনি খেলা হয় পাড়ার মেয়ে গুলো সব ওদের গ্যালারির চিয়ার লীডার হয়ে যায়। আর আমাদের গ্যালারিতে শুধু পিউ, ও ফুটবল বোঝে না তবুও হাত তালি দেয়। যদিও আজ
বিদেশি নীল ও থাকবে। খেলা শুরু হতে বেশী দেরি নেই। সবাই ব্যাস্ত। আমিও বাদ নেই। আমি না খেললেও, আমার ভূমিকা টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। একরকম হর্তা কর্তা টাইপের ভাব। সবকিছু দেখাশোনার দায়িত্বে। প্লেয়ারস রুমে আকাশ কে খুব কনফিডেন্ট লাগছে আজ। মুখে সেই কালো ভাব টা নেই, একটা চার্মিং চার্মিং ভাব। কাল বিকেলেও এই হাসি খুশি ভাব টা লক্ষ করেছিলাম।কিন্তু কেস টা কি?
গ্যালারির দিকে তাকিয়ে দেখলাম,পিউ আর নীল পাশাপাশি বসে আছে।

খেলা শুরু হয়ে গেছে। সবার মধ্যে একটা টানটান উত্তেজনা।সমীরন দা উঠে বার বার সাইড লাইনে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত রেফারির শেষ মিনিটের বাঁশি বাজলে,সারা গ্যালারি চিৎকারে ফেটে পড়ল। কে কোথায় কাকে জড়িয়ে ধরে আনন্দ করছে কে জানে! এই প্রথম বার আমাদের ক্লাব এই টুর্নামেন্ট জিতল আকাশের জোড়া গোলে। কিন্তু আকাশ কে দেখতে পাচ্ছি না তো! আমি এদিক ওদিক খুঁজতে লাগলাম। পিউ পিছন দিক থেকে আমার হাত ধরে টানল। আমি ওকে বললাম,-" আকাশ কোথায় রে?"
-" তোর জেনে কি? নীল ওকে গিফট দিতে গেছে।" পিউ উত্তর দিল।
-" মানে! কি গিফট?"
-" আরে হাঁদারাম! নীল আকাশ কে ভালবাসে। গতকাল সকালেই প্রোপোজ করেছে।"
-" ভালবাসে মানে! নীল তো সমীরন দার বাইকে চেপে ঘুরে বেড়ায়। সমীরন দা কেই ভালবাসে।" আমি বিস্মিত হয়ে বললাম।
পিউ বিরক্ত হল,-" আরে উজবুক! নীল, সমীরন দার মাসীর মেয়ে। সমীরন দার বাইকে না তো কার বাইকে ঘুরবে?"

আমার মাথা বোঁ বোঁ করে ঘুরতে লাগল। বললাম,-" ওরা কোথায়?আর কি বা গিফট দিচ্ছে?"
পিউ রাগে আমার হাতের আঙুল উলটে চেপে ধরে,ঠোঁট ফুলিয়ে বলল,-" তুই সারা জীবন গোবর গনেশ হয়ে থাকবি?মেয়েরা বয়ফ্রেন্ড কে লুকিয়ে কি গিফট দেয় জানিস না?"
বোকার মতো বলে ফেললাম,-" কি গিফট? "
পিউ আমার পিঠের কাছে সজোরে একটা কিল মেরে বলল,-"ওদিকটায় চল,আমি তোকে গিফট দিচ্ছি।"

হঠাৎ দেখি আমাদের ক্লাব ঘরের পাশের একটা ছোট্টো একতলা ঘর থেকে নীল বেরিয়ে আসছে।মুখে দুষ্টমি ভরা হাসি। নীল আমাদের কাছে আসতেই দেখি, ঠিক সেই ঘর থেকে আকাশ বেরোচ্ছে ঠোঁটে জিভ বোলাতে বোলাতে। আমি পিউর দিকে তাকালাম। ও আমার দিকে চেয়ে হাসতে হাসতে নীলের হাত ধরে চলে গেল। আমার বুকের ভেতর টা আবার কাঁপতে শুরু করল। সেই সাথে একটা ভাল লাগা ও তৈরী হল মনের মধ্যে।
উপরের দিকে চাইতেই দেখি,সাদা আকাশ টা আস্তে আস্তে নীল হয়ে যাচ্ছে।

স্বদেশ কুমার গায়েন (২০১৫)

No comments

Powered by Blogger.