একটি অন্যপ্রেমের ছোটগল্প " অন্য দু'জন "



গল্পপড়ুয়া ফেসবুক পেজে লাইক করুন : 
http://www.facebook.com/golpoporuya


অন্য দুজন

পুরানো আলমারি টা,সাজাতে গিয়ে চমকে উঠল শ্রীময়ী।আলমারি টা বিয়ের পর থেকে শুধু একবার খুলে দেখেছিল সে।ভেতরের অবস্থা দেখে আর হাত দিতে ইচ্ছে হয়নি।বোঝা বোঝা কাগজপত্র,পুরানো জামা- প্যান্ট।ঝাঁপ করে রাখা।নীচের তাকে কিছু বাংলা,ইংরাজী মিলিয়ে বই আছে।এলোমেলো করে সাজানো। কোনোদিন পড়েছে বলেও মনে হয় না।কিছু কিছু মানুষ থাকে,যাদের শুধু বই কেনার শখ। কিন্তু কোনোদিন পড়েও দেখে না।সৌম্যদীপ ঠিক সেই রকম ধরনের মানুষ।এই তো সেদিন একটা পূজাবার্ষিকী কিনে আনল,কিন্তু টেবিলের উপর সেই ভাবে পড়ে আছে।শ্রীময়ী মাঝে মাঝে খুলে একটু পড়ে। কিন্তু মন বসে না।

সৌম্যদীপ এখন বাড়িতে নেই।অফিস গিয়েছে। বড্ড আগোছালো ছেলে সৌম্যদীপ।নিজের কোনো জিনিষ পত্র তার ঠিক থাকে না।তাই আজ অফিসে যাওয়ার পর আলমারি টা নিয়ে বসল শ্রীময়ী।ধুলো জমছে ভিতরে।বই গুলো একটা একটা করে বাইরে বের করতে গিয়ে,চমকে উঠল........।


(১)

বিয়েটা হঠাৎ করেই হল শ্রীময়ীর।এরকমটা হবে সে নিজেও ভাবিনি।ঝড়ের আগে অন্তত একটা পূর্বাভাস দেওয়া তো উচিত ছিল!তার সবথেকে কাছের বন্ধু রিমি বেশ কিছু দিন ধরে মিউ মিউ করে তার কোলের কাছে এসে ডাকছিল।বিরাট কোনো ঝড় বৃষ্টি আসার আগে প্রথম সেটা, জীবজন্তুরা বুঝতে পারে।তাই রিমি ই সম্ভবত বুঝতে পেরেছিল তার আসন্ন বিয়ের কথা। প্রথমে শুনে,একদম না করে দিয়েছিল শ্রীময়ী। এই মুহুর্তে বিয়ে কেন,মৃত্যু তার পক্ষে সম্ভব নয়।সময় নেই বিয়ে করার।গ্রাজ্যুয়েসান কমপ্লিট করার সকাল-বিকেল, টিউসন আর চাকরীর পরীক্ষার প্রিপারেসশন।একটুকুও সময় নেই হাতে।আসলে শ্রীময়ী সময় রাখতে চায়নি হাতে। কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছিল নিজেকে।কিন্তু হঠাৎ করেই বিয়েটা সব বানচাল করে দিল।যদি মা-বাবা এসে ধরত,তবে কোনো পাত্তাই দিত না।কিন্তু এক সাথে সব আত্মীয় স্বজনের মুখের কথা ফেলতে পারিনি সে।মেসোমশাই এর ঠিক করা পাত্র।সৌম্যদীপ সরকার।বেশ লম্বা,চওড়া ফিগার।দেখতেও মন্দ নয়।মাথায় ঘন কালো চুল।সরকারি চাকুরে।এরকম ছেলেদের মেয়ে কেন,মেয়ের মা দেরই আগে পছন্দ হয়ে যায়। অপছন্দের কোনোও কারন ছিল না।তবুও মনের মধ্যে কেউ যেন খোঁচা মারছিল শ্রীময়ীর। যেরকম টা ভেবেছিল,তেমনটা হয়নি।বিয়ের পর বুঝতে পারল,সৌম্যদীপ ছেলেটি মন্দ নয়।বেশ ভাল মানুষ।যদিও এত ভালো মানুষ তার যেন আবার অসহ্য লাগে।যেটা আবদার করে সেটা কিনে আনে।এই ব্যাপারটা তার ভালো লাগে না। চাইলেই পেয়ে গেলে,তার মধ্যে ঠিক আনন্দ থাকে না।না বলবে,কয়েক দিন দেরি করবে, এটাই ভালো।ছেলেটির একটা ব্যাপার বেশ ভালো লাগে,রাতের বেলা হামলে পড়ে না।সব কিছুর ও একটা ধৈর্য রাখা উচিত।শ্রীময়ীও সাহস দেখায় না।চুপ করে থাকে।যতক্ষণ না আদর করে কাছে টেনে নেয়,ততক্ষন। বিয়ের প্রথম প্রথম সৌম্যদীপ খুব একটা কাছে আসতো না।কেউ কেউ এরকম হয়।শ্রীময়ী জানে সেটা। সে ও তো বিছানায় সাবলিল হতে পারি নি। কিন্তু কিছু দিন কাটতেই আকাশ পরিষ্কার।
মাস দু'য়েক হল শ্রীময়ীর বিয়ে হয়েছে।বেশ মানিয়েও নিয়েছে নতুন বাড়িতে।দু'টো ঘর, একটা কিচেন,আর টয়লেট,বাথরুম।যেমন টা থাক।দু'জনের জন্য এটাই অনেক।সৌম্যদীপের বাবা-মা বড় ছেলের কাছে কাছে থাকে।মাঝে মাঝে মাসে একবার করে বেড়াতেও আসে। সৌম্যদীপ কোনো কিছুতেই শ্রীময়ী কে জোর করে না। রান্না করতে চাইলে করো,না করতে চাইলে না করো।বাইরে থেকে খেয়ে নেবে। কিন্তু বার বার করে শ্রীময়ী কে বলে যায়,দুপুরে অন্তত নিজে রান্না করে করে খেয়ে নিও।শ্রীময়ী নিজের জন্য রান্না করে।সৌম্যদীপের কথা মতো খেয়েও নেয়।তারপর লম্বা ঘুম দেয়।

(২)
আজ রবিবার।সৌম্যদীপের অফিস ছুটি।তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার ও কোনো প্রশ্ন নেই।
রবিবার সকালে একটু বেশি বেশি শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।জানালা দিয়ে সকালের নরম আলো এসে ঢুকছে।একবার চোখ খুলে তাকাতেই, বিরক্ত হল সৌম্যদীপ।চোখ বন্ধ করল।কেন যে সকাল সকাল জানালা টা খুলে দেয় মেয়েটা! উপুড় হয়ে আবার বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলো সৌম্যদীপ।ঘুম ঠিক নয়। আলসেমি করে পড়ে থাকা।কিচেন থেকে শ্রীময়ী হাঁক পাড়ল,-"সৌম্য, উঠলে তুমি?"
-"না,তুমি এসে তুলে দাও।"ঘুম জড়ানো চোখে বলল সৌম্যদীপ।
-"একটু,দাড়াও।যাচ্ছি।"
এক মগে করে জল এনে সৌম্যদীপের চোখে মুখে ছিটিয়ে দেয় শ্রীময়ী।ঘুম জড়ানো চোখে শ্রীময়ীর হাত টা ধরে বুকের উপর টেনে সৌম্যদীপ।
-"ছুটির দিনে এত তাড়াতাড়ি উঠো কেন,শ্রী?"
বিয়ের কয়েকদিন পর একদিন টিভি তে হরর ফ্লিম দেখতে দেখতে সৌম্যদীপ কে জড়িয়ে ধরে শ্রীময়ী বলেছিল,-"তোমার নাম টা খুব বড়। কে রেখে ছিল বলো তো?অত বড় নাম ধরে ডাকা যায় না।"
-"বরের নাম ধরতে নেই,জানোনা।"হাসল সৌম্যদীপ।
-"রাখতো তোমার ওসব,নাইনটিন থার্টি সিক্সের ধ্যান ধারনা।আমি তোমাকে শুধু সৌম্য বলে ডাকবো।"
সৌম্যদীপের ঠোঁটে একটা চুমু খেল শ্রীময়ী।
-"আচ্ছা তাই ডেকো।আর আমিও তোমাকে আদর করে শ্রী বলে ডাকবো।"
শ্রীময়ী হেসে বলল,-"আমার বাড়ির লোক-জন, বন্ধু বান্ধব সব শ্রী বলেই ডাকে।"
সেই থেকে  শ্রীময়ী কে আদর করে শ্রী বলে ডাকে সৌম্যদীপ।

সৌম্যদীপের ঝটকা টানে বুকের উপর গিয়ে পড়ে শ্রীময়ী।তার মুখের ঠিক উপরেই শ্রীময়ীর মুখ।-"একটা চুমু দাও না।" বলল সৌম্যদীপ।
-"বাসি মুখে,চা খেতে হয়, সৌম্য।"
-"না,বউয়ের চুমু।কে যেন বলেছিল,সকালে বউয়ের চুমু দিয়ে দিন শুরু করলে,সারাদিন টা তার ভালো কাটে,কোনো বিপদ আপদ
হয় না।"
-"ছাড়তো তোমার ঢঙের কথা।যে ব্যাটা বলেছিল,তার বউ নিশ্চয় তাকে কোনোদিন চুমু দিত না।তাই ওরকম একটা ফালতু কথা বলে গেছে।"
শ্রীময়ী কে আরও জোরে বুকে টেনে নিল সৌম্যদীপ।বলল,-"শ্রী,একটা চুমু শুধু।"
-"একটা কেন,হাফ ও দেব না, সৌম্য।" হাসল শ্রীময়ী।
-"আচ্ছা,হাফ দিতে হবে না।সিকি ভাগ টাই দাও।"
-"ধুর,তুমিও না।"
বিরক্ত হয়ে সৌম্যদীপের গালে একটা চুমু খায় শ্রীময়ী।তারপর বলে,-"এই তোমার সাত দিনই অফিস হয় না কেন গো?"
-"কেন?
-"সারাদিন বাড়িতে বাড়িতে থাকলে তোমার দুষ্টমির পরিমান বেড়ে যায়।"হাসে শ্রীময়ী।
-"বাড়লেও বা কি! নিজের বউ তো।"
দুজনেই হাসে।

(৩)

একটু বেলার দিকে উঠে বাজারে যায় সৌম্যদীপ।নীচথেকে বাইক টা বের করে স্টার্ট দেয়।বাজারে গিয়ে একটা মাঝারি সাইজের ইলিশ মাছ কেনে।সরষে বাটা দিয়ে ইলিশ মাছ মন্দ লাগে না।শ্রীময়ী ও রান্না করেও দারুন। দুপুরে সরষে ইলিশ খেতে খেতে সৌম্যদীপ বলে,-"শ্রী,চলো না একটা সিনেমা দেখে আসি ইভিনিং শো এ।ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড।"
দুষ্ট হাসি হেসে শ্রীময়ী বলল,-"রাতের পর রাত তো,বেশ আমার সাথে স্ট্যান্ড করে যাচ্ছ।তবে আবার কার সাথে ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড করার শখ হল?"
-"তোমার সতীনের সাথে।"
-"কি!"
সৌম্যদীপ হাসে।হো হো করা হাসি।
-"আমি ছাড়া, আর কোনো মেয়ের দিকে তাকালে তোমার গলা টিপে দেব সৌম্য।"
-"চলো,না শ্রী।" আবদুরে সুর সৌম্যের গলায়।
-"না,আজ শুধু আমার কাছে থাকবে তুমি।"
-"তোমার কাছে বসে বসে কি করব?"
-"কি করবে আবার! চুপ করে বসে থাকবে।নইলে গল্প করবে।"
-"পারব না।যদি পাঁচ মিনিট পর পর একটা করে চুমু দাও,তবে থাকব।"হাসে সৌম্যদীপ।
-"পাঁচ মিনিট কেন! তোমাকে পাঁচ সেকেন্ড পর পরই চুমু দেব সৌম্য।তবে প্রতি চুমুতেই একটা করে কড়কড়ে পাঁচশো টাকার নোট রেডি রেখো।"খিল খিল করে হাসে শ্রীময়ী।
-"পাঁচশো!..এই ওটা পাঁচ টাকা করো, শ্রী।তবে পারবো হয়তো।"
-"না,এক পয়সা ও কম হবে না।তবে তুমি ওই সরষে মাখা ইলিশ খাও।"
শ্রীময়ীর খাওয়া শেষ।হেসে উঠে যায় সে। সৌম্যদীপ আরও কিছুক্ষন বসে থাকে।সরষে মাখা হাত টা চেটে চেটে পরিষ্কার করে।তারপর উঠে যায়।

বিকালে ছাদে উঠে দু'জন।প্রতি ছুটির দিনের মতো।সাদা আকাশের মাঝে মাঝে নীলের ছোঁয়া।মৃদু ঠান্ডা হাওয়া ভেসে আসছে,সামনের বাড়ি গুলো ফাঁক দিয়ে। চেয়ার নিয়ে অনেক গল্প করে দু'জন।হাবিজাবি গল্প।এ সব গল্পের না থাকে মাথা, না থাকে মুন্ডু।যা হোক একটা করলেই হল।তারপর সন্ধ্যা হলেই নীচে নেমে যায়। সৌম্যদীপ টিভি নিয়ে বসে পড়ে।শ্রীময়ীর একটা অভ্যেস আছে,যেটা সৌম্যদীপের খুব ভাল লাগে।শ্রীময়ী সিরিয়াল দেখতে পছন্দ করে না।তাই সন্ধ্যা বেলা,নিউজ,খেলা দেখার সুযোগ টা পেয়ে যায় সে।
রাত সাড়ে ন'টা।একটু তাড়াতাড়ি খেয়ে নেওয়ার জন্যে জোরাজুরি করে সৌম্যদীপ।সব দিন এরকম করে না।মাঝে মাঝে করে।কেন করে, সেটা বেশ ভালোরকমই বোঝে শ্রীময়ী।তার ও খারাপ লাগে না।খারাপ লাগবেই বা কেন! ভালো লাগারই কথা।রাতের খাওয়া শেষ করে,সব কিছু গুছিয়ে, বাইরের গেট দরজা বন্ধ করে ঘরে ঢোকে শ্রীময়ী।তাকে দেখে হাসে সৌম্যদীপ। আজ অন্যরকম মুডে আছে! মনে মনে ভাবে শ্রীময়ী। আয়নার সামনে কিছুক্ষন দাঁড়ায়।মাথায় চিরুনি দেয়।নিজেকে একটু দেখে নেয়।তারপর সৌম্যদীপের পাশে গিয়ে শুয়ে পড়ে।
-"আলোটা,নেভাবে না।" বলে সৌম্যদীপ।
-"না,আজ থাক।"
-"ভালোই তো।তবে আলো থাক।"
হাসে সৌম্যদীপ।তারপর শ্রীময়ী কে কাছে টেনে নেয়।খুব কাছে।কিছু বলে না শ্রীময়ী।আজ তার ও বাঁধন হারা হতে ইচ্ছে করছে।
-"আজ আর একদম না বলবে না,শ্রী।"নীচু স্বরে ঠোঁটের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বলে সৌম্যদীপ।
শ্রীময়ী বলে,-"না,সৌম্য।আজ আর কোনো না নয়।"
তারপর সৌম্যদীপের ঠোঁটের ভেতর ডুবে যায় শ্রীময়ী।ঠোঁট ছেড়ে বুকে নেমে আসেসৌম্যদীপের মাথা।শ্রীময়ীর চোখ বন্ধ।একবার কেঁপে উঠে।-"সৌ-ম-অ।"
তারপর জোরে সৌম্যদীপ কে বুকে জড়িয়ে ধরে।-"তোমাকে কোনো দিন ভুলবো না সৌম্য। খুব ভালোবাসবো তোমায়।"
সৌম্যদীপ মাথা তুলে শ্রীময়ীর দিকে তাকায়। আবারঠোঁটে চুমু খায়।-"তোমাকেও,খুব ভালোবাসবো শ্রী।সব সময় তুমি আমার কাছে থাকবে।"
তারপর ধীরে ধীরে শ্রীময়ীর শরীরের সবকিছু এক টানে খুলে ফেলে সৌম্যদীপ.....।পাশাপাশি শুয়ে আছে দু'জন।শ্রীময়ীর মাথাটা সৌম্যদীপের বুকের কাছে রাখা।অনেক অ্যাটাক,কাউন্টার অ্যাটাক চলেছে।শ্রীময়ী হেসে বলে,-"এবার ঘুমাও সৌম্য।"
শুভরাত্রি জানিয়ে দুজনই ঘুমিয়ে পড়ে।

(৪)

.....সৌম্যদীপ এখন বাড়িতে নেই।অফিস গিয়েছে। বড্ড আগোছালো ছেলে সৌম্যদীপ।নিজের কোনো জিনিষ পত্র তার ঠিক থাকে না।তাই আজ অফিসে যাওয়ার পর আলমারি টা নিয়ে বসল শ্রীময়ী।ধুলো জমছে ভিতরে।বই গুলো একটা একটা করে বাইরে বের করতে গিয়ে, চমকে উঠল।নীচের তাকের বই গুলো একটা একটা করে বাইরে বের করে ধুলো ঝাড়তে গিয়ে একটা কাগজ নজরে এল তার।বেশ পুরানো কাগজ। কিছু লেখা আছে তাতে।কালি ফ্যাকাশে হয়ে গেলেও পড়া যায়।আর সেটা পড়েই চমকে উঠল শ্রীময়ী।-"প্রিয়তমা,শ্রী তুমি আমাকে ভুলে গেলেও,আমিতোমাকে ভুলতে পারব না।কারন, আমি তোমাকে খুব ভালোবেসে ফেলেছিলাম। আমার প্রথম ভালোবাসা তুমি।তোমাকে ভোলা সম্ভব নয়।হয়তো আমার মনে এক কোনে তুমি সারাজীবন জায়গা নিয়ে থাকবে।"ইতি তোমার
সৌম্যদীপ।
থরথর করে কাঁপছে শ্রীময়ী। সৌম্যদীপের এক্সের নাম তবে 'শ্রী' ছিল!বুক ধুকপুক করছে তার।সৌম্যদীপ তাকে কেন,শ্রী বলে ডাকে, সেজন্য নয়।নিজের কাছেও ধাক্কা খাওয়ার জন্য। কাগজ টা নিয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়ায় শ্রীময়ী।মনের মধ্যে সব আগোছালো হয়ে যাচ্ছে। এত বড় সত্যি টা জানার পর,তার রাগ হচ্ছে না সৌম্যদীপের উপর।
কেন রাগ করতে পারছে না সে?সে ও তো নিজের প্রথম প্রেম সৌম্য কে আজও ভুলতে পারেনি।তাই তো প্রতি টা মুহুর্তে সৌম্যদীপ কে শুধু সৌম্য বলে ডাকতে শুরু করেছিল..............।

স্বদেশ কুমার গায়েন (২০১৬)


সমস্ত ধরনের চাকরীর পরীক্ষার প্রস্তুতির সমস্ত স্টাডি মেটিরিয়ালস, পিডিএফ বুক পেতে ক্লিক করুন : http://www.gksolve.com

2 comments:

Powered by Blogger.