Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2017

একটি প্রেমের কবিতা " অনসূয়া "

অনসূয়া, চলো, বৃষ্টি ভেজা সবুজ পাহাড়ের বুকে মাথা রাখি। দুহাতে জড়িয়ে কোলে তুলে নেব তোমায়। চা পাতার মতো তোমার চোখের পলক থেকে পাহাড়ি বর্ষা টুপ টুপ করে পড়ে আমার ঠোঁট ছুঁয়ে দেবে। ..... বর্ষাতি মুড়ে হেঁটে যাব আঁকা-বাঁকা পাথুরে পাহাড়ি রাস্তায়; তোমার হাতে আমার হাত তোমার মনে আমার মন অথবা, তোমার ঠোঁটে আমার ভেজা আঙুল। অনসূয়া, চলো, চেরাপুঞ্জির বৃষ্টিতে স্নান করে আসি। তোমার চুলের মতো কালো মেঘ গুলো কে চুরি করে এনে রেখে দিই, আমার ছাদের উপর; তোমার পরশের আদরে মেঘেরা কাঁদবে বৃষ্টি নামবে, অন্তহীন ভিজবো বর্ষা ময়ূরী হবে তুমি। .....অথবা, বর্ষনসিক্ত হেঁতাল বন। অনসূয়া, চলো,মেঘের ভেলায় চড়ে ঘুরে আসি নীল আকাশের দেশে; বক ফুলের মতো থোকা থোকা মেঘ ভেঙে, বালি হাঁসের পালকের মতো তোমার চুলে পরিয়ে দেব । মেঘ সমুদ্রের বেলাভূমি তে রেখে আসবো তোমার আমার পায়ের ছাপ, ঠোঁটের আদর....। ... একটা রাত কাটাবো মেঘের দেশে। রামধনু শাড়িে মেঘের ঘাটে বসে থাকবে তুমি, স্বপ্নটানা রাত; আকাশের কপাল থেকে, দশটা তারার ঝিকমিক এনে পরিয়ে দেবো, তোমার হাতের আঙুলে.....। অনসূয়া, চলো, তালবন ঘেরা পদ্ম দিঘির জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকব

একটি প্রেমের কবিতা " ইচ্ছে করে "

মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে হারিয়ে যেতে তেপান্তরে সবুজ ঘেরা শাল-মহুয়ার বনে, বুনো ফুলের গন্ধ মেখে হলুদ নদীর আঁকে বাঁকে বরফ ঢাকা নীল পাহাড়ের ছোট্টো ঘরের কোনে। ইচ্ছে করে হাওয়ায় ভেসে পালিয়ে যেতে পরীর দেশে লাল পলাশের বনের চারিধারে, সোনালী ধানের মাঠের মাঝে তুলো মেঘের নীল আকাশে জোস্না ঢাকা জংলী নদীর পাড়ে। ইচ্ছে করে নি:ঝুম রাতে কালো আকাশের চাঁদ–তারাতে তোমায় নিয়ে একলা বসে থাকি, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকের সাথে গন্ধরাজের সুবাসেতে তোমার কোলে একটু মাথা রাখি। স্বদেশ কুমার গায়েন (২০১২)

অনুগল্প "পাগল টাইপের লোকটা "

পড়ন্ত বিকেলের স্টেশন। আকাশ টা যেন গায়ে, হলুদ মেখেছে। দুরে ইউক্যালিপটাস গাছের পাতা গুলো হাওয়ার তালে তালে মাথা নাড়াচ্ছে। অনেক আগেই ট্রেন চলে গেছে তাই স্টেশন টা একটু ফাঁকা ফাঁকা।কয়েকজন কুলি আর স্টেশন দোকানি প্লাটফর্মের উপর।প্লাটফর্মের উপর একটি আম গাছের নীচে পাতা বেঞ্চ টিতে বসে লোকটি আনমনে হলুদরঙা আকাশটির দিকে তাকিয়ে ছিল। প্রায় পঁয়তাল্লিশের কাছাকাছি লোকটির বয়স। মাথায় এলোমেলো লম্বা লম্বা চুল, মুখ ভর্তি সাদা কালো খচখচে গোঁফ দাড়ি। পরনে রঙ চটা একটা জামা, প্যান্ট। প্রথম দৃষ্টিতেই লোকটিকে পাগল মনে হবে,কিন্তু সাধরন পাগলদের মতো তার হাব ভাব নয়। পাশে রাখা সুটকেসের উপর হাত রেখে একদৃষ্টে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। বেশ কিছুসময় পর আরেকটি ট্রেন এসে ঢুকল স্টেশনে। একমুহুর্তে মানুষের কোলাহল ছড়িয়ে পড়ল সারা প্লার্টফর্মটিতে। লেডিস কামরা থেকে একটি মেয়ে নেমে এগিয়ে আসছে এদিক টাতে। মেয়েটির বয়স খুব বেশী নয়,তা কুড়ি, একুশ হবে। লোকটি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে আছে একদৃষ্টে,- সেই, মুখ...সেই চুল,...সেই ঠোঁট...সেই হাঁটার স্টাইল....বিদিশা! অস্ফুট স্বরে লোকটি বলে উঠল। মেয়েটি এখন লোকটির কাছে এসে পড়েছে। হঠাৎ লোকটি উঠে মেয়েটির

তোমায় বলা আনমনা কিছু কথারা

১. নীল ঝরনার পাহাড়িয়া বাতাশের কোলে এলো চুলো তোমায় সব থেকে সুন্দর লাগে। শীতল জলে পা ডুবিয়ে, নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নে ভেসে যাও তুমি। তোমার গোলাপ ঠোঁট, চোখের প্রতিটা পলক গল্প এঁকে যায়। জন্ম থেকে মৃত্যুর প্রতি স্তরে গল্পের তুমি গল্পের নায়িকা। অন্ধকার রাস্তায় তুমি যখন হেঁটে চলো, একদল পিশাচ তোমার পিছু নেয়।রক্তাক্ত হয়ে তখনও গল্প তৈরী করে যাও তুমি। তাই আজ শুধু তোমাদের গল্প। তোমার গল্প আমার কলমে৷ ২. জানালার পাশের অশথের পাতায় যখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি নেমে আসে, আমার মনে হয়, কোনো চিলেকোঠার গোপন ঘরে তুমি নীরবে চোখের জল ফেলছো- তখন আমি কলম নিয়ে লিখতে বসি। বালু চিক চিক তোমার চিবুকে যখন কেউ চুমুর রেখা এঁকে দেয়-তখন আমি গল্পের নায়িকায় তোমার ছবি ভাবি। পাহাড়ের কোলে সূর্য ডোবে। তুমি হাত ধরে আমাকে কাছে টেনে নাও। আবার গল্প তৈরী হয়। তোমার গল্প, আমার গল্প। ৩. একবার তাকিয়ে দেখ, নীল আকাশের মাঝে সাদা পায়রা টা তোমাকে ডানা মেলে ডাকছে। একবার তাকিয়ে দেখ, ঘাসের মাঝের নাম না জানা ফুল গুলো তোমার স্পর্শ পেতে চায়। একবার তাকিয়ে দেখ, যে তোমায় কালো বলে চলে গিয়েছিল, সে আজ সঙ্গীহীন। একবার তাকিয়ে দেখো

বাংলা কবিতা "সেই ছেলেটি "

তোমরা সেই ছেলেটি কে কেউ দেখেছো?কেউ চেনো তাকে? সেই যে,সেই ছেলেটি...... যে ছেলেটি স্বপ্ন দেখেছিল মানুষের মত মানুষ হওয়ার,সাধরন মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকার।কিন্তু পারল না.......। যে,কল্পনার সমুদ্রে পাল তোলা জাহাজের মতো ভেসে বেড়াতো, তুলি দিয়ে আকাশের রামধনু আঁকতে চেয়েছিল; একলা রাতে জোছনালোকে বসে চাঁদের দিকে চেয়ে বলতো,'ও চাঁদ,নিয়ে যাবি তোর দেশে?' কিন্ত চাঁদের বুড়ি তাকে ডাকলো কই? যাকে,একটু বকাবকি করলে বাচ্চাদের মতো কেঁদে ফেলতো।খুব যন্ত্রনা পেলে,লুকিয়ে চোখের জল ফেলতো,তবু কষ্টের কথা কাউকে জানাতো না। কেউ কি দেখেছো তাকে? সেই যে,সেই ছেলেটি...... যে,নিজের সমস্ত দু:খ,কষ্ট,যন্ত্রনাকে লুকিয়ে রেখে, অন্যদের কে আনন্দ দিত।সবার চাহিদা, প্রত্যাশা পুরন করল,কিন্তু নিজের জন্যে কোনোদিন কিছু চাইলো না। যার,রোগা-পাটকাঠির মতো চেহারা; অসুন্দর মুখশ্রী।তবুও সে ভালোবেসে ফেলল, সৌন্দর্যের পূজারিণী কে।অসহায় ভাবে একটু শান্তি চেয়েছিল,একটু ভালোবাসা,একটু আশ্রয়, কিন্তু পায়নি সে সব.........। কোথায় আছে এখন সে? তোমরা কেউ কি দেখেছো? সেই যে,সেই ছেলেটি...... যে,ভালবাসার জন্যে সর্বস্ব ত্যাগ করে, একা হয়

প্রেমের কবিতা "আরও একবার ফিরে এসো "

আরও একবার ফিরে এসো তুমি যেকোনো সময়ে,যেভাবে ফেরা সম্ভব তোমার। বন তুলসী-ভাট ফুল- মেঠে শাকের বন কলমিলতার জঙ্গল পেরিয়ে একবার এসে দাঁড়াও; সন্ধ্যা নামবে বকুলের ফুলে এক চিলতে মিঠে বাতাশ, পাঁচিলের উপর থেকে জুঁই ফুল তুলে নিয়ে এগিয়ে যাবে তোমার আগমনী পথে; চিলে কোঠায় রোদে শুকোতে দেওয়া তোমার আমসত্বে জমাট বাঁধা ধুলোর আস্তরন, পিঁপড়েরা বাসা বেঁধেছে ভনভনে মাছির শব্দ; ছাদের কিনারে টবে রাখা গোলাপ টি তে কুঁড়ি এসেছিল- রোজ জল দিলাম কিন্তু ফুটলো কই? তোমার হাতের স্পর্শ চেয়েছিল হয়তো..... আরও একবার ফিরে এসো তুমি যেকোনো সময়ে,যেভাবে ফেরা সম্ভব তোমার। কচুরীপানার ডিঙা চড়ে, তালদিঘি পেরিয়ে কোনো এক শান্ত হলুদ বিকেল বেলায়।। স্বদেশ কুমার গায়েন ( জুলাই, ২০১৭)

প্রেমের কবিতা " অন্য একদিন এসো "

এখন রক্তবর্ন বিকেল খুঁজে বেড়ায় তাকে। হারিয়ে যাওয়া ঠিকানা- ধূলো জমে থাকা কোনো ডায়রীর ভাঁজে হয়তো লুকোনো আছে।ক্ষত-বিক্ষত পাংশুটে শরীর যেন,তামাটে জমাট বাঁধা রক্ত নিঙড়ে পড়ে থাকা ভেজা কাপড়ের আস্তরন; মরা শালিকের মতো শুকিয়ে যাওয়া চোখের কোটরের মতো পড়ে থাকে নেতানো শরীরে-একবুক যন্ত্রনা ঘুর্নি পাকায়, কতটা যন্ত্রনা ছিল সেখানে? কতটা যন্ত্রনা পেলে পাথর ঘষে  নকসা হয়? কতটা যন্ত্রনা পেলে গাছেরা কাঁদে? সে কান্না দেখা যায় না........ আজ নয়, অন্য আরেকদিন এসো তুমি মেঠো আলপথের বাঁকে সন্ধ্যা নামবে, চিল চিৎকার নীলাভ আকাশ কত গুলি বক সাদা ডানা মেলে হারিয়ে যাবে বাঁশ বনের আড়ালে। সোনালি ধানের ক্ষেত গঙ্গাফড়িং এর দল এক পায়ে দাঁড়ানো  তাল গাছে - বাবুই পাখির বাসা ছুঁয়ে দখিন হাওয়া হাত নাড়বে তোমার জানালায়.... সেদিন এসো তুমি, আমি অপেক্ষায় থাকবো তোমার....।। স্বদেশ কুমার গায়েন। ( জুলাই, ২০১৭)

একটি প্রেমের গল্প " পুজোর প্রেম "

—"পুজোর পাঁচ দিনে পাঁচ টা মেয়ে পটাতে না পারলে,আমার পুজোটা ভাল কাটে না রে।" একটা গভীর দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে যেন মৃত্যু শোক প্রকাশ করল দীপ।আমার খুব হাসি পেল। যদিও প্রতি বছর এই একই ডায়ালোগ শুনে আসছি ওর মুখ থেকে। পাশ থেকে মুন টা টকাস করে বলে উঠল— "গত বছরের পুজোয় জুতোর বাড়ি টা কি এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলি?" খ্যাক করে উঠল দীপ।"— আরে ছাড় তো! মেরেছো জুতোর বাড়ি, তাই বলে কি প্রেমে আড়ি?বিসর্জনের দিনই ওই জুতোর দাগ জলে ধুয়ে দিয়েছি।" মুন একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বলল,—"দেখ, এবছর বছর, আরও দুচারটে বেশি জুতো উপহার পাস কিনা! " — "তুই কি বুঝবি রে, পাগলি! মেয়েদের জুতোর বাড়িতেও একটা প্রেম আছে। তুই কিছু বুঝিস প্রেমের? কাউকে ভালবেসে দেখেছিস কোনোদিন?" মুন ও ছাড়বার পাত্রী নয়। বলল,—"তোদের মতো উল্লুক ছেলেদের আমার ভালবাসতে বয়ে গেছে।" নাও শুরু হয়ে গেল, দুজনের মধ্যে। মাঝখানে আমি নীরব দশর্ক হয়ে, একবার এর মুখের দিকে, এক বার ওর মুখের দিকে তাকাচ্ছি।ওই যে আরেকজন আসছে হন্তদন্ত হয়ে আসছে। দেখি কি সংবাদ এনেছে! —"মামু, আসছে সে। আমার স্বপ্নের পরী।" আমরা স

দুটি বিরহ প্রেমের কবিতা

লাল মাটির দ্যাশ মনে পড়ে তর. . অ্যাকদিন তুকে অ্যানেছিলাম হামার লাল মাটির দ্যাশে তর কইলকাতার গাড়ি,বাস,ট্রাম রাস্তা সব ভুলে গ্যেলি ছুটে চল্যে গেল্যি লদীর পাড়ে অ লদী অ্যামাকে লিয়ে যাবি তুর কাছে, অ্যামাকে ভালবাইসবি........ আচল ভরে লাল পাথুর কুড়াইলি ফাগুন মাসের শেমুল বনে গলা ছ্যাড়ে পাখির সুরে গান গাইলি; গেরামের বাচ্চা গুলোর সাথে.... কত আনন্দ করলি; আমি শুধু তুকে দ্যাখতম্ তুকে লিয়ে যেতম লদীর পাড়ে লিয়ে যেতম সবুজ ঘাসের মাঠে; তুই মাঝে মাঝে হামার হাত ধরে চলতিস্ আর দেখতিস্.. লাল ম্যাঘের আকাশ। বিকেল বেলায় লদীর পাড়ে গিয়ে দুজনে বসে থাকতম্ কত হাসি গপ্প করতম্ মনে মনে ভাবতম্........... তুকে কদম ফুলের মালা দিব লাল মাটির সুবাস দিব লাল পাথুরের লুড়ি দিব আমার ভালবাসা দিব কিন্তু কিছুই দিতে পারলম না.......... অ্যাকদিন ফিরে গ্যেলি তুর কইলকাতায়, অ্যাকা করে গেলি....... সেই শেমুল বন, সবুজ ঘাসের মাঠ; অ্যাকা করে গ্যেলি আম্যাকে অ এই লাল মাটির দ্যাশে................।। সে সে আমার প্রথম চাওয়া–পাওয়া সে আমার প্রথম স্বপ্ন–আশা; সে ছিল আমার প্রিয়তমা– সে যে ছিল আমার প্রথম ভাল

দুটি রোমান্টিক প্রেমের কবিতা

হিংসে তোর বুকের খাঁজে নীল লকেট হার টার উপর খুব রাগ হয় আমার! একদম সহ্য করতে পারিনা ওটাকে, খুব হিংসে করি ; মাঝে মাঝে মনে হয়, ওটা জীবন্ত চোখ একটা। তোকে ড্যাব ড্যাব করে সারক্ষন দেখছে,আর আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। দেখিস, একদিন ওটাকে ছিঁড়ে ফেলে তোর বুকে মাথা রাখব আমি।। স্বদেশ কুমার গায়েন (২০১৫) কল্প প্রেমিক ইচ্ছে করে কোনো এক জোছনা রাতে, সুন্দরবনের গভীর অরন্যে, নদীর বুকে, মেছো নৌকায় বসে সারারাত তোর সাথে কাঁধে মাথা রেখে গল্প করি।চাঁদের আলোয় ভেসে যাবে হেঁতালের বন। জোছনালোক খেলা করবে শাল, সেগুন,সুন্দরী,কেওড়া,গরানের জঙ্গলের সাথে।কাঁচা সোনার মতো চাঁদ গলে যাবে নদীর জলে। অথবা,কোনো গভীর কালো রাতে বৃষ্টি ভেজা অরন্যভূমির,নদীর মাঝে জলের টেউ এ দুলতে থাকা ছোট্টো নৌকার ছাউনির নীচে তুই আর আমি গুটিশুটি মেরে জড়িয়ে ধরে বসে থাকবো।হ্যারিকেনের মৃদু আলোয়। এক মায়াময় অরন্যভূমি।এক মায়াবী রাত। শুধু তুই আর আমি।আমাদের প্রেম।আর নদীর জলের অন্তহীন ছলাৎ ছলাৎ শব্দ.....! স্বদেশ কুমার গায়েন (২০১৬)

প্রেমের গল্প " দামি উপহার "

(১) অনেক খোঁজা খুঁজি করেও অনেক সময় মনের মতো জিনিষ পাওয়া যায় না।এমনটা হতেই পারে। ঠিক যেমন টি চাইছেন,তেমনটি পাচ্ছেন না।যেটা দেখছেন,সেটা মনের মতো হচ্ছে না। কিছু না কিছু খুঁত থেকে যাচ্ছে।মধুরিমার ও সেই একই অবস্থা হল।আজ তার স্কুল ছিল।স্কুল বন্ধ করে সারা কলকাতা দুপুরের রোদে টো টো ঘুরে বেড়ালো। তবুও মনের মতো একটা কিছু পেল না।দাম নিয়ে তার কোনো কম্প্রোমাইজ নেই।কিন্তু মনের মতো একটা দামি উপহার সে পেল না। সামনের রবিবার অভির জন্মদিন।কি গিফট দেবে এখন? বিরক্ত হয়ে খাট থেকে নেমে ফ্যানের রেগুলেটার এক ঘাট বাড়িয়ে দিল মধুরিমা।ঘরের ভেতর হেঁটে বেড়ালো কিছুক্ষন। জয়িতা আর পম্পা পাশের দু'টো খাটে সটান হয়ে শুয়ে আছে।পম্পার কানে ফোন,সারক্ষন বকবক করে চলেছে।আর জয়িতা উপুড় হয়ে বুকের উপর বালিশ দিয়ে ফোনের মেসেঞ্জারে ডুবে আছে।শুধু টকাং টকাং শব্দ আর মুখে হাসির ফুলকি।কি যে সুখ পায় এক সাথে এত গুলো ছেলেকে খেলিয়ে! মধুরিমার এসব একদম ভালো লাগে না।তার শুধু ভালবাসতে ইচ্ছে করে।মাঝে মাঝে স্বপ্নও দেখে রাতে।মনের মানুষটির সাথে হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছে ধূ ধূ সবুজের প্রান্তরে।একপাশে খোলা দিগন্ত রেখা। সূর্যটা লাল বলের মতো।একটু একটু