Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2017

একটি ভূতুড়ে গল্প " হত্যা কারী "

গল্পপড়ুয়া ফেসবুক পেজ : http://www.facebook.com/golpoporuya ভূতুড়ে গল্প " হত্যা কারী " ভোর বেলা হোটেলের গ্রাউন্ড ফ্লোরে একটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠল হোটেলে স্টাফ রা। ভেতর থেকে ছুটে এল সবাই।এই ভোরে কি হল আবার! সকলের চিৎকার -চেঁচামেচি তে ঘুম ভেঙে গেল শিউলির।পাশে নরেন কে দেখতে পেল না।ছুটে নেমে এল নীচের তলায়। চাপ বাঁধা জমাট রক্ত মৃত নরেনের মাথার চারিদিকে।শিউলি দৌড়ে গিয়ে কেঁদে পড়ল নরেনের মৃত শরীরের উপর।দেহে যে প্রান নেই সেটা দেখলেই বোঝা যায়।নরেনের বডি টা এমন জায়গায় পড়ে আছে দেখলে মনে হয়, ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে সুসাইড ই করছে।হয়তো পোস্ট মোর্টেম রিপোর্ট সেটাই বলবে।কিন্তু নরেন সুসাইড করতে যাবে কেন? কোনো ঝগড়া, ঝামেলা, ঋন-দেনা -কিছুই তো ছিল না নরেনের।তবে.........? গতকাল রাতের ঘটনা।মাঝ রাতে দরজায় দু'বার ঠক ঠক করে আওয়াজ হল।মনে হল বাইরে থেকে কেউ নরম হাতে দরজায় চাপড় মারছে।হয়তো আরও আগে থেকে আওয়াজ টা হচ্ছে।নরেনের যখন ঘুম ভাঙলো,তখন দুবারই শুনলো।খাটের উপর উঠে বসে, দু'হাতে চোখ কচলালো নরেন। -"এত রাতে আবার কে এল? রাত একটা বাজে।বাইরে তখনও ঝড়ের চোখ রাঙানি।মেঘে

একটি ছোটগল্প " ফুচকা "

ফুচকা (১) হেড মাস্টারের রুম থেকে বেরিয়ে,স্কুলের গেটের কাছে আসতেই থমকে দাঁড়াল সৌম্যদীপ।সাব-ইনেস্পেকটর সৌম্যদীপ রয়। লোকাল থানার নতুন সাব- ইনেস্পেকটর।ছ'ফুটের উপরে লম্বা, ফর্সা চেহারা,চওড়া কাঁধ,বেশ স্বাস্থ্যবান।মাথায় ছোটো করে করে ছাঁটা কালো চুল।গায়ে খাঁকি রঙের ড্রেস।চোখে কালো সানগ্লাস।বয়েস বত্রিশ কি,তেত্রিশ হবে।মুখমন্ডল তেমনটাই বলে। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে চোখ থেকে চশমাটা খুলল সৌম্যদীপ।ভুরু কুঁচকে,চোখ দুটো সরু করে তাকালো।ব্যাপার টা বেশ আশ্চর্যের। অবাক করার মতো বটে।স্কুলে এখন টিফিন আওয়ার।শহরের একটা নামি স্কুল এটা। দু'ঘন্টার বেশি হয়ে গেছে, স্কুলে এসেছে সৌমদীপ। সাথে আরও দু'জন পুলিশ আছে। আসলে স্কুলের অডিট সংক্রান্ত একটা ছোটো খাটো সমস্যার ইনেস্পেকসনের দায়িত্ব এসে পড়েছে তার উপর।সাধরনত এসব দায়িত্ব তার থাকে না।কিন্তু ভিজিলেন্স অফিসারের সাথে হেড মাস্টারের ছোটো মনোমালিন্যের জন্য,কেস টা এসে পড়ল তার ঘাড়ে।যদিও আরও একটা ছোটো কাজ আছে।আশে পাশের বাড়ি গুলোর সাথে,স্কুলের সীমানা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ঝামেলা।আর সেই কারনেই আজ এই স্কুলে আসা।আজকাল স্কুলে এরকম ইনেস্পেকসনের কাজে এলে কাজের থেকে খ

একটি প্রেমের গল্প " ভালোবাসা "

(১) –"এইডস!" সবেমাত্র কফিকাপে চুমুক লাগিয়েছি।গলা দিয়ে আর নীচে নামল না।আল–টাগরায় বেধে গেল।একরকম বিষম খেতে খেতে কোনোরকমে নিজেকে সামলে নিলাম। সত্যিই তো!বিষম কেন, আমার চেয়ার থেকে উলটে ডিগবাজি খেয়ে নীচে পড়ে যাওয়াই উচিত ছিল। –"হ্যাঁ, এইডস! তোর ব্লাডটেস্ট করতে হবে।" কালো কালো চোখের উপর থেকে এক টুকরো সোনালি চুল সরিয়ে আমার দিকে তাকালো সৃজিতা। হালকা সাদা টিউব লাইটের আলো সৃজিতার ঘরে।এই মুহুর্তে আমি সৃজিতার বেডরুমে একটা চেয়ারের উপর বসে আছি।আমাদের সম্পর্কটা টা দু'জনের বাড়ির সবাই জানে। এবং বিয়েও এক প্রকার ঠিক ও হচ্ছে।তাই যখন মাঝে মাঝে এদিকে কোন কাজে আসি, তখন সৃজিতার বাড়ি থেকে ঘুরে যাই।কিন্তু আজ তার কথায়, আমার বিয়ের আনন্দ টা দপ করে ফিউজ কাটা বাল্বের মত নিভে গেল।সৃজিতার বেডের পায়ের দিকে দেওয়ালে একটা বড় করে বাচ্চা শিশুর ছবি লাগানো।কফি খেতে খেতে সেদিকে তাকিয়ে হাসছিলাম।কিন্তু আর হাসব কোথায়?সৃজিতার কথা শুনে,আমার কান্না পেয়ে গেল। –" এইডস! ব্লাডটেস্ট! তুই আমাকে সন্দেহ করিস, সৃজিতা?" –"আজকাল কার ছেলেদের আমার একদম বিশ্বাস হয় না,বুঝলি! কোথায় কি সব ঘোটলা করে

একটি ভূতুড়ে গল্প " রাত নামলেই "

' গল্পপড়ুয়া ' অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন :  http://bit.ly/2uC9GWu আপনার প্রিয় বিখ্যাত সাহিত্যিকদের সমস্ত গল্প-কবিতা পড়ুন ছোট্ট 'সাহিত্য মেলা' অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে।অ্যাপটির  ডাউনলোড  লিঙ্ক:   http://bit.ly/2f9jDX রোজ গল্পপড়ুয়াতে মজার তথ্য পড়তে ক্লিক করুন ভূতুড়ে গল্প -"হাই!" চমকে উঠে পাশে তাকাল উস্মিল।কই কেউ নেই তো!  রাতে খাওয়ার পর থেকে একাই বেডরুমে শুয়ে আছে। অবশ্য সন্ধ্যে একজন বন্ধু এসেছিল।কিন্তু সে তো অনেক আগেই চলে গেছে। তবে 'হাই' বলল কে! কথাটা তার কানের কাছেই কেউ যেন বলল।পরিষ্কার শুনতে পেল একটা ছেলের গলা। ঘড়িতে রাত সাড়ে বারোটা বাজে।দোতলার এই ছোট্টো ঘরটিতে এই মুহর্তে পুরোপুরি অন্ধকার। বাইরেটাও একই অবস্থা।নিচ্ছিদ্র অন্ধকারে ডুবে আছে পুরো পাড়াটা।নিস্তব্দ,শুনসান।অন্যদিন তবুও ঝিঁঝি পোকা,রাস্তার কিছু মেঠো কুকুরের ডাক শোনা যায়।কিন্তু আজ তারা গেল কোথায়? একটু আগেই বিদ্যুতের আলোটা দপ করে চলে যাওয়ায় আরও অন্ধকার লাগছে। সাধরনত, বিদ্যুতের আলো হঠাৎ করে এরকম যায় না। কোথাও হয়তো ট্রান্সফরমার বিগড়েছে।আজ রাতে আর আলো আসার

বিখ্যাতদের মজার গল্প ( পার্ট ৩)

প্যারীচাঁদ মিত্র এলাকার অন্যতম ধনী দেব নারায়ন দে’র বাড়িতে একটা বড়সড় অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছিল। লেখা হচ্ছিল দেনাপাওনা ও খরচাপাতির ফর্দ। সেখানে উপস্তিত ছিলেন রসিক লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র। খরচের ফর্দ দেখে প্যারীচাঁদ মিত্র বললেন-’ একি মিস্টান্নের জন্য এতো কম টাকা? ব্রাম্মনকেও তো তেমন দেয়া হচ্ছেনা। এসব খরচ কিছু বাড়িয়ে দিন।’ দেবনারায়ন বললেন-’ প্যারীচাঁদ বাবু,আপনি শুধু খরচ বাড়াতে বলছেন। টাকাটা কে দেবে শুনি?’ প্যারীচাঁদ মিত্রের তড়িৎ জবাব-’কেন, আপনি দেবেন। আপনার নামের আগে দে, নামের পরেও দে। দিতে আপনাকে হবেই। বঙ্কিম চন্দ্র লেখক বঙ্কিম চন্দ্র এবং দীনবন্ধু মিত্র দুজনে ছিলেন ভালো বন্ধু ছিলেন। দীনবন্ধু ডাক বিভাগে কাজ করতেন। আর সে সুবাদে তাকে প্রায়ই ঘুরে বেড়াতে হতো বিভিন্ন অঞ্চলে। একবার আসামে গিয়ে সেখান থেকে বঙ্কিম এর জন্য কাপড়ের একজোড়া জুতো কিনে এনেছিলেন। লোক মারফত সে উপহার বঙ্কিমের কাছে পাঠিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে একটা চিরকুটে লিখে দিলেন-’জুতো কেমন হয়েছে জানিও।’ বঙ্কিম চিরকুটটি পড়ে হাসলেন। তারপর তার উত্তরে লিখে দিলেন -’ঠিক তোমার মুখের মতো!’ বিখ্যাতদের মজার উত্তর বিখ্যাতরা প্রায়ই বিভিন্ন প্রশ্

বিখ্যাতদের মজার গল্প ( পার্ট২)

বিখ্যাতদের মজার গল্প ( পার্ট২)  আলভা এডিসন বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের কথা তো আমরা সবাই জানি। তিনি ছিলেন খুব ভুলোমনা,কোনো কিছুই মনে রাখতে পারতেন না। তো একবার তিনি তার এক বন্ধুকে তার ঘরে খাবার নিমন্ত্রন করলেন। অথচ নিমন্ত্রনের দিন এডিসন নিজেই বন্ধুকে দাওয়ার দেয়ার কথা ভুলে গেলেন। যথাদিনে বন্ধু এসে হাজির। এসে দেখেন বাড়িতে কেউ নেই। বন্ধুটি তাই তার বিজ্ঞানী বন্ধুটির জন্য অপেক্ষা করতে থাকলো। কিন্তু সময় গড়িয়ে যায়, বন্ধুতো আসে না। অবশেষে খিদে লাগায় বন্ধুটি খিদে সইতে না পেরে টেবিলে রাখা খাবারের প্লেট নিজেই সাবাড় করে দেয়। কিছুক্ষন পরে এডিসন আসলেন। এসে বন্ধুকে দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন “আরে বন্ধু,  তুমি এই অসময়ে আমার বাসায়! দাঁড়াও দেখি তোমার জন্য কোনো খাবার আছে কিনা”। এই বলে তিনি টেবিলে রাখা খাবারের প্লেটটির ঢাকনা তুলে দেখেন প্লেটটি খালি। এর পর আফসোস করে বন্ধুকে বলতে লাগলেন, “এই দেখো কান্ড,তোমার জন্য কিছুই রইল না। যাওয়ার সময় যে আমি খাবারটি খেয়ে গেছিলাম তাও ভুলে গেছি।” নীলস বোর ছোট্ট ছেলেটির মন খারাপ।খুব বেশিই খারাপ।পরীক্ষায় একটি প্রশ্নের উত্তরে সে শূন্য পেয়েছে।প্রশ্নটি ছিলো এরকম- “