Skip to main content

Bangla Sad Kobita 2020 - বাংলা বিরহের কবিতা ' কৃষ্ণ বিরহিনী'

Bangla Sad Kobita 2020 - বাংলা বিরহের কবিতা ' কৃষ্ণ বিরহিনী'


Golpo Poruya ব্লগে সবাই কে স্বাগতম। আপনারা যারা Bangla Sad Kobita পড়তে পছন্দ করেন, তাদের জন্যে রইল নতুন একটি Bangla Sad Kobita 2020. বাংলা বিরহের কবিতা, পড়তে অনেকেই পছন্দ করেন। তাই, Golpo Poruya, Bangla Golper সাথে সাথে, Bangla Sad Kobita, Dukher Kobita প্রকাশ করে থাকে নিয়মিত।

Bangla Sad Kobita


Sad Poem in Bengali 2020 new poem here. You can read daily Bengali Poem, Bangla Sad Kobita, Bangla Kobita, Bangla Poem, Valobasar Kobita Here. Golpo Poruya is providing, Bangla Kobita Lekha, Bangla Romantic Premer Kobita.

Click Here To Read Bengali Sad Love Status 2020.

Bangla Sad Kobita 2020- বাংলা বিরহের কবিতা



কৃষ্ণ বিরহিনী

অনামিকা সাহা

শ্রী কৃষ্ণ বিহনে বিনোদিনী রাই,
সর্বক্ষণ নাম জপে কানাই কানাই||
নীলাভ অঞ্চল তাহার ধূলিতে লুটায়,
এহেন মলিন কায়া চক্ষে দেখা নাহি যায়||
সর্বাঙ্গ জ্বলে তাহার কৃষ্ণ প্রেমানলে,
এ দহন নিভাইতে পারে এহেন সাধ্য বলো, কোন সাগরের জলে?
একে একে ডাকিয়া সকল সখীগণেরে,
জিজ্ঞাসে কানুর বার্তা আনিয়া অন্তঃপুরে||
কানুর তরে শ্রী রাধিকার কান্দে পরাণ,
কেমনে করিব তাহার ব্যাথার বাখান||
আছে যত পশু পক্ষী,বৃক্ষ লতা পাতা,
সকলেরে সুধায় রাই, শ্রী কৃষ্ণের বারতা||
যায় যত পথিক গোকুলের পথ ধরি,
আগলায়া পথ কহেন রাই কিশোরী||
 "কহিয়া যাও মোর কানুর কুশল বার্তা সবিস্তারে দয়া করি"||
কারও মুখে কোনো সদোত্তোর না পাইয়া,
দিনে দিনে আরও তাহার মলীন হয় কায়া||
তপ্ত কাঞ্চন বর্ণ অঙ্গ ছিল যাহার,
হায়! অদৃষ্টের ফেরে আজ কী দশা তাহার||
অমন সোনার অঙ্গ লুটাইয়া ধূলিতে,
কান্দিয়া ভ্রমে রাই গকূলের গলীতে||
ব্যথিত অন্তরে শ্রী কৃষ্ণ প্রনয়নী,
উচ্চস্বরে কানুরে ডাকে রাই বিনোদিনী||
ক্রন্দন তাহার বনমালীর কানে নাহি পৌঁছে,
 কানুর চিন্তায় রাই কিশোরী চক্ষের জল মুছে||
রাধার অন্তের ব্যথা কেমনে করিনু বর্ণণ,
বুঝিতে তাহার পিড়া নিতে হইবে কয়েক সহস্র জনম||
যুগে যুগে শুনিয়া শ্রী রাধিকার প্রেমের বাখান,
ধন্য হয় মানব জনম, জুড়ায় মন প্রাণ।।
---
অনামিকা সাহা।

আরও কবিতা পড়তে - ক্লিক করুন। 

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

ছোটো গল্প " কাজের মাসী "

প্রথম প্রচেষ্টায় চাকরী টা হয়ে গেল। কোনোদিন ভাবেনি,এরকম ভাবে হাসতে হাসতে দুম করে একটা কেলো ঘটে যাবে জীবনে। যাইহোক আমার চাকরীটা হল,দক্ষিন-পূর্ব রেলে। ডি-গ্রুপের চাকরী।পোস্টিং হল খড়গপুর। খড়গপুর নামটা বই এর পাতায় পড়েছিলাম। এক সময়ের পৃথীবীর দীর্ঘতম রেলওয়ে প্লাটফর্ম। কোনোদিন ভুল বশত যাওয়া ও হয়নি। আর আজ সেখানেই আমার গন্তব্য হবে,এটা কল্পনাতেও ভাবেনি কখনও। নির্দিষ্ট দিনে বেরিয়ে পড়লাম।ক্যানিং থেকে ফার্স্ট ট্রেনে শিয়ালদহ।শিয়ালদহ থেকে বাস। সোজা হাওড়া।যখন হাওড়া পৌঁছোলাম,তখন ঘড়িতে পাঁচটা পঁইত্রিশ বাজে।আমার পিঠে একটা কলেজ ব্যাগ।নিজের কিছু জামা-প্যান্ট, কিছু দরকারী কাগজ পত্র ব্যাগে।আর একটা জলের বোতল।তেমন ভারী কিছু নয়।আমার ট্রেন সকাল ছ'টায়।রুপসী বাংলা এক্সপ্রেস। যথাসময়ে পিঠে ব্যাগ টা চাপিয়ে রুপসী বাংলায় উঠে পড়লাম।ভাগ্যটা ভালোই ছিল,তাই জানালার কাছের সিট টা পেয়ে গেলাম আমি। ঠিক ছ'টা দশে ট্রেন নড়ে উঠল।তারপর ধীরে ধীরে প্লাটফর্ম ছেড়ে বেরোলো।আমি যেসময়ের কথা বলছি,সেসময় রুপসী বাংলা এক্সপ্রেস হাওড়া থেকে ছাড়তো। দুপাশের বড় বড় বাড়ি,কোহাহল কে পিছনে রেখে ট্রেন ছুটলো ঝড়ের গতিতে।জানালার পাশে বসে আমার চ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোট গল্প " পোস্টমাস্টার "

প্রথম কাজ আরম্ভ করিয়াই উলাপুর গ্রামে পোস্ট‌্মাস্টারকে আসিতে হয়। গ্রামটি অতি সামান্য। নিকটে একটি নীলকুঠি আছে, তাই কুঠির সাহেব অনেক জোগাড় করিয়া এই নূতন পোস্ট্আপিস স্থাপন করাইয়াছে। আমাদের পোস্ট‌্মাস্টার কলিকাতার ছেলে। জলের মাছকে ডাঙায় তুলিলে যেরকম হয়, এই গণ্ডগ্রামের মধ্যে আসিয়া পোস্ট‌্মাস্টারেরও সেই দশা উপস্থিত হইয়াছে। একখানি অন্ধকার আটচালার মধ্যে তাঁহার আপিস ; অদূরে একটি পানাপুকুর এবং তাহার চারি পাড়ে জঙ্গল। কুঠির গোমস্তা প্রভৃতি যে-সকল কর্মচারী আছে তাহাদের ফুরসত প্রায় নাই এবং তাহারা ভদ্রলোকের সহিত মিশিবার উপযুক্ত নহে। বিশেষত কলিকাতার ছেলে ভালো করিয়া মিশিতে জানে না। অপরিচিত স্থানে গেলে, হয় উদ্ধত নয় অপ্রতিভ হইয়া থাকে। এই কারণে স্থানীয় লোকের সহিত তাঁহার মেলামেশা হইয়া উঠে না। অথচ হাতে কাজ অধিক নাই। কখনো কখনো দুটো-একটা কবিতা লিখিতে চেষ্টা করেন। তাহাতে এমন ভাব ব্যক্ত করিয়াছেন যে, সমস্ত দিন তরুপল্লবের কম্পন এবং আকাশের মেঘ দেখিয়া জীবন বড়ো সুখে কাটিয়া যায় – কিন্তু অন্তর্যামী জানেন, যদি আরব্য উপন্যাসের কোনো দৈত্য আসিয়া এক রাত্রের মধ্যে এই শাখাপল্লব-সমেত সমস্ত গাছগুলা কাটিয়া পাকা রাস্

সুকুমার রায়ের ছোটগল্প " হ য ব র ল "

বেজায় গরম। গাছতলায় দিব্যি ছায়ার মধ্যে চুপচাপ শুয়ে আছি, তবু ঘেমে অস্থির। ঘাসের উপর রুমালটা ছিল, ঘাম মুছবার জন্য যেই সেটা তুলতে গিয়েছি অমনি রুমালটা বলল “ম্যাও!” কি আপদ! রুমালটা ম্যাও করে কেন? চেয়ে দেখি রুমাল তো আর রুমাল নেই, দিব্যি মোটা-সোটা লাল টক্টকে একটা বেড়াল গোঁফ ফুলিয়ে প্যাট্ প্যাট্ করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে! আমি বললাম, “কি মুশকিল! ছিল রুমাল, হয়ে গেল একটা বেড়াল।” অমনি বেড়ালটা বলে উঠল, “মুশকিল অবার কি? ছিল একটা ডিম, হয়ে গেল দিব্যি একটা প্যাঁক্পেঁকে হাঁস। এ তো হামেশাই হচ্ছে।” আমি খানিক ভেবে বললাম, “তা হলে তোমায় এখন কি বলে ডাকব? তুমি তো সত্যিকারের বেড়াল নও, আসলে তুমি হচ্ছ রুমাল।” বেড়াল বলল, “বেড়ালও বলতে পার, রুমালও বলতে পার, চন্দ্রবিন্দুও বলতে পার।” আমি বললাম, “চন্দ্রবিন্দু কেন?” শুনে বেড়ালটা “তাও জানো না?” বলে এক চোখ বুজে ফ্যাঁচ্‌ফ্যাঁচ্ করে বিশ্রীরকম হাসতে লাগল। আমি ভারি অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম। মনে হল, ঐ চন্দ্রবিন্দুর কথাটা নিশ্চয় আমার বোঝা উচিত ছিল। তাই থতমত খেয়ে তাড়াতাড়ি বলে ফেললাম, “ও হ্যাঁ-হ্যাঁ, বুঝতে পেরেছি।” বেড়ালটা খুশি হয়ে বলল, “হ্যাঁ, এ তো বোঝাই যাচ্ছে-